অবৈধ যানবাহন আটকে খাদে ফেলছে পুলিশ

Share It
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাজীপুরের কালিয়াকৈর চন্দ্রা এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে লেগুনাসহ সব অবৈধ যানবাহন আটক করে খাদে ফেলে দিচ্ছে বলে হাইওয়ে পুলিশেল বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। দু’দিন ধরে ডিআইজি আতিকুল ইসলামের নির্দেশে সারাদেশের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকার আশপাশেও এ অভিযানে যেসব যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র নেই ও মহাসড়কে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সেসব যানবাহন আটক করা হচ্ছে। আটক লেগুনাসহ শতাধিক অবৈধ যানবাহন ১০-২০ ফুট গর্তের পানিতে ফেলে দিচ্ছে পুলিশ। অবৈধ যানবাহনগুলোর মধ্যে লেগুনা, রিকশা, বেবিট্যাক্সি ও ম্যাক্সি গাড়ি রয়েছে। ওই যানবাহনগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়াই কবিরপুর, বাড়ইপাড়া নন্দনপার্কের সামনে, ওয়ালটন কারখানার পুকুর ও খাড়াজোড়া বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কের সামনে খাদে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

ওইসব যানবাহনের মালিক-চালকরা অভিযোগ করে জানান, হাইওয়ে পুলিশের এসপি সফিকুল ইসলামের নির্দেশে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা তাদের কোনো কথা না শুনে বা কাগজপত্র না দেখে উল্টে ফেলে দিয়ে যানবাহনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, চন্দ্রা, বাড়ইপাড়া, সফিপুর, কালিয়াকৈর মহাসড়ক থেকে কয়েকদিনে শতাধিক যানবাহন আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ। এসব যানবাহনের মধ্যে রয়েছে লেগুনা, বেবিট্যাক্সিসহ তিন চাকার অটোরিকশা। অবৈধ যানবাহন আটক করে কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির ভেতরে রাখা হয়েছে এবং হাইটেক সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে মহিষবাথান এলাকায় কয়েকটি লেগুনা পাশের একটি পানির ১০ ফুট গর্তে ফেলা হয়েছে। আবার মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ওই এসপি সফিকুল ইসলামের নির্দেশে টিআই সাইদুল ইসলাম অবৈধ যানবাহন রাতের আঁধারে ছেড়েও দিচ্ছেন বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

লেগুনা মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি জলিল বলেন, পুলিশের ডিউটির জন্য মালিক সমিতি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০-৬০টি লেগুনা দিয়ে থাকি। এ জন্য আমাদের রোডে চলাচল করতে দেয়। কিন্তু আমাদের কোনো নির্দেশ না দিয়ে হঠাৎ করেই যানবাহনগুলো আটক করা হচ্ছে। যদি মহাসড়কে চলতে না দেয় তাহলে আমরা চালাব না। লেগুনা এভাবে পানিতে ফেলার নিয়ম আছে কি-না জানা নেই। তবে গাড়িগুলো এভাবে পানিতে না ফেলে আটক করে নিয়ে গেলেও ভালো হতো।

চন্দ্রা এলাকার দায়িত্বরত হাইওয়ে পুলিশের টিআই এসআই সাইদুল ইসলাম জানান, ডিআইজি নির্দেশ দিয়ে গেছেন, সব অবৈধ যানবাহন ধরে আটক করে খাদে বা পুকুরে ফেলে দিতে।

সালনা কোনাবাড়ী হাইওয়ে থানার ওসি বাসুদেব সিনহা বলেন, ডিআইজির নির্দেশে যেসব গাড়ির কাগজপত্র সঠিক নেই ও মহাসড়কে চলাচল নিষেধ এমন গাড়ি আটক করা হয়েছে। আটক যানবাহন যদি মালিক নিতে চায় তাহলে প্রতিটি অংশ খুলে খুলে নিতে পারবে। আমাদের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


Share It
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here