ইউএনওর আচরণে ক্ষুদ্ধ হয়ে শহীদ মিনারে ফুল দিলেন না মুক্তিযোদ্ধারা

৩৯তম বিসিএসে মুক্তিযোদ্ধা কোটা: সুপারিশপ্রাপ্ত সবাইকেই ছাড়পত্র দিচ্ছে জামুকা
Share It
  • 843
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    843
    Shares

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে গিয়েও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন না মুক্তিযোদ্ধারা। তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরাও। বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে।

মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ, স্বাধীনতার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসনের পর মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিটি দিবসে শহীদ মিনার এবং স্মৃতি ফলকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছে। কিন্তু এবারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খায়রুল আলম সুমন নতুন নিয়ম চালু করেছেন। আমরা প্রতিবার যেভাবে ফুল দিয়ে আসছি সেভাবেই দেব, এটা সব মুক্তিযোদ্ধার দাবি।

কিন্ত নতুন নির্বাহী অফিসার বিগত বছরগুলোর প্রথা ভেঙ্গে নতুন নিয়ম তৈরি করে শহীদ মিনারে ফুল দিতে বলেন। নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ হলো উপজেলা প্রশাসন প্রথমে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে পুলিশ তার পর মুক্তিযোদ্ধারা। অথচ মুক্তিযোদ্ধারা বিগত বছরগুলোতে প্রশাসনের পর পরই ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতেন। নির্বাহী অফিসারের এমন ঘোষণার পর মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ মিনার ত্যাগ করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডা কার্যালয়ে চলে আসেন।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধা সফিকুল ইসলাম, সলেমান আলীসহ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ইউএনও’র নতুন নিয়ম আমরা মানি না। আমরা শহীদ মিনারে ফুলের শ্রদ্ধা বর্জন করলাম। তার আচরণে আমরা ক্ষুদ্ধ।

এমন ঘোষণার পর শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মাঝে বিষয়টি টপ অব টাউনে পরিণত হয়।

উপস্থিত সুধী জনেরা জানান, মুক্তিযোদ্ধারা দেশের বীর সন্তান। তাদের অগ্রাধিকার আগে। এমনটা করা ইউএনওর উচিত হয়নি।

বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের সভাপতি এন এম নুরুল ইসলাম বলেন, মুজিব বর্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের গুরুত্ব না দেয়া খুবই নিন্দনীয় কাজ। আশা করছি বিষয়টি তদন্ত করবে প্রশাসন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার খায়রুল আলম সুমন এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।


Share It
  • 843
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    843
    Shares

1 COMMENT

  1. মুক্তিযোদ্ধাদের আত্ননিয়োগ ও শহীদদের আত্নত্যাগের বিনিময়ে আজকের বাংলাদেশ ও বাঙ্গালি জাতি।তাঁরা পাকিস্তানি জালেমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আামাদের নারীদের ইজ্জৎ,আামাদের মায়ের ভাষা,আামাদের জাতীয় অস্তিত্ব ও মাতৃভূমিকে জয় করে যে শান্তির প্রতিষ্ঠা করেছে আমরা এ ঋণ কোনদিনও শোধ করতে পাবোনা।সূতরাং তাদের মর্যাদা দেয়া আামাদের নৈতিক দায়িত্ব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here