রবিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হ্যালো ভালুকা অফিসে এই সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পেশ করে এক ভুক্তভোগী পরিবার বলেন, ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের চানপুর গ্রামের মরহুম শরিয়ত উল্লাহর ছেলে ছোহরাব আলী একজন ভারতীয় প্রশিক্ষন প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা বলে দাবি করেন তার স্ত্রী ফজিলা খাতুন (৬০)। ভারতীয় তালিকা দেখলেই তার প্রমান পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, সরকার যাচাই বাছাই করে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করার পূর্বেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এরপর তার ছোট চাচাত ভাই মরহুম আমজাত আলী সরকারের ছেলে খলিল মিয়া সরকারি গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্ত করে আনার কথা বলে মরহুম ছোহরাব আলীর স্ত্রী ফজিলা খাতুনের কাছ থেকে সাত হাজার টাকাসহ মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র নিয়ে যায় এবং বেশ কিছুদিন পর বলে সে ছোহরাব আলীর নাম গেজেট ভূক্ত করতে পারে নাই বলে জানায়।

পরবর্তীতে আমি টাকা এবং সনদপত্র ফেরৎ চাইলে সে নানা ধরনের টালবাহনা শুরু করে। কিছুদিন পর আমি জানতে পারি খলিল মিয়া ওই সনদপত্র ব্যবহার করে তার নিজ নামে গেজেট নং-৪৮০৮ অন্তর্ভুক্ত করে। তার সঞ্চয়ী হিসাব নং- ৩৩০৪৩০১০৪১৮৪৫ সোনালী ব্যাংক ভালুকা শাখা হতে ভাতা উত্তোলন করেন। প্রশাসনের কাছে আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা তার এহেন গর্হিত অপরাধের দৃষ্টান্ততমুলক শাস্তির দাবি এবং প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা ছোহরাব আলীর নাম গেজেটে অন্তর্ভক্ত করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here