কমলগঞ্জে শাক–সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী, আরও বাড়ার আশঙ্কা

Share It
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মোঃ মালিক মিয়া কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার বাজারগুলোতে সবজি জাতীয় দ্রব্য পণ্যের মূল্য বেড়েই চলেছে। ঈদের কয়েক দিন পর থেকে বাজারে আলু, পটল, বরবটি, ঢেঁড়স, ধুন্দল, ঝিঙে, করলা, পেঁপেসহ বেশিরভাগ সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী। এতে স্থানীয় বিক্রেতারা হচ্ছেন লাভবান ক্রেতারা ফেলছেন নাভিশ্বাস। ক্রেতাদের অভিযোগ বাজার মনিটরিং ভেঙ্গে পড়ায় এ মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের পর প্রথম দিকে সবজি চাহিদা কম ছিল। তবে কয়েকদিন ধরে চাহিদা কিছুটা বেড়েছে। এছাড়া বৃষ্টিতে সবজির কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে সবজির দাম এখন কিছুটা বাড়তি।

এভাবে চলতে থাকলে সামনে সবজির দাম আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন ক্রেতারা । এতে কমলগঞ্জের নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তরা পড়েছেন বিপাকে। সবজির পাশাপাশি কিছুটা দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচের। রোজায় ও ঈদের পর কিছু দিন ২০-৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে ৪০ থেকে ৫০ টাকা হয়েছে। কোনো কোনো ব্যবসায়ী ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ ২০ টাকায়ও বিক্রি করছেন। আজ বুধবার ( ১০ জুন) ভানুগাছ শমশেরনগর মুন্সিবাজার আদমপুর শহীদ নগর বাজার সহ বিভিন্ন কাঁচাবাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাকা চালানী টমেটো, গাজর, পটল, ঝিঙে, ধুন্দল, বরবটি, পেঁপেসহ প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। রোজায় ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া গাজরের দাম বেড়ে হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পাকা টমেটোর দাম বেড়ে হয়েছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। এছাড়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া চিচিঙ্গার দাম বেড়ে হয়েছে ৫০- ৫৫ টাকা।

২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পেঁপের দাম বেড়ে হয়েছে ৫০-থেকে ৫৫ টাকা। ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া গোল আলুর দাম বেড়ে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। বাজার ও মান ভেদে পটল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি, যা এক সপ্তাহ আগেও বিভিন্ন বাজারে ৩০ টাকা কেজি পাওয়া যাচ্ছিল। ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া করলার দাম বেড়ে ৫৫ ৬০ টাকা । বরবটি পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে কচুর লতি, কচুর মুখী, ঝিঙে ও কাকরোল।

ঝিঙে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুর মুখী ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সবজির দাম বাড়ার বিষয়ে মাহমুদ নামের এক বিক্রেতা বলেন, ঈদের আগেই ঘূর্ণিঝড় ও বৃষ্টির কারণে সবজির বেশ ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু ঈদ পরবর্তী কিছুদিন সবজির চাহিদা ছিল না। এ কারণে ঈদের পর পরই সবজির দাম বাড়েনি। কিন্তু এখন আস্তে আস্তে সবজির চাহিদা বাড়ছে, ফলে দামও বাড়ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই সব ধরনের সবজির দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে তার। সবজি কিনতে আসা শাহ আলম নামের একজন বলেন, দিন দিন সবজির দাম বাড়তেই আছে। এতে আমাদের মতো নিম্নমধ্যবিত্তদের হাঁসফাঁস অবস্থা কমলগঞ্জে প্রধানত শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার শহর থেকে সবজি আমদানি করা হয়। গ্রামীণ গ্রাম এলাকার বাজারগুলোতে স্থানীয় সবজি চাষিরা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে সবজি বিক্রি করে থাকেন।


Share It
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here