খাদ্যশস্য ও প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে আরও মনোযোগী হতে হবে; কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক
Share It
  • 20
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    20
    Shares

খাদ্যশস্য ও প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে আরও মনোযোগী হতে হবে; কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এ মন্তব্য করেছেন।

রোববার (৮ ডিসেম্বর, ২০১৯) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে Celebration 35th SAARC Charter Day উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানের আয়োজনে ছিলো সার্ক কৃষি কেন্দ্র।

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সঠিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ, প্রণোদনা প্রদান, উন্নত প্রযুক্তি, কৃষক ও সংশ্লিষ্টদের পরিশ্রমেই বাংলাদেশ আজ খাদ্যে শুধু স্বয়ংসম্পুর্ণ নয় বরং খাদ্য উদ্বৃত্ব দেশে পরিনত হয়েছে।

কিন্তু পুষ্টি নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে আমরা এখনো অনেক পিছিয়ে বলে মন্তব্য করেন তিনি বলেন, পুষ্টিকর খাবারের জোগানের মাধ্যমে আমরা এটি অর্জন করতে পারি।

‘এ জন্য খাদ্যশস্য আর প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে আমাদের আরো মনোযোগী হতে হবে। তবেই আমরা স্বাস্থ্যবান জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারব’।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সার্ক ভুক্ত দেশগুলো কৃষিতে ভালো করছে। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুকিপুর্ণ দেশ, তথাপি জলবায়ু পরিবর্তনের উপযোগী ফসলের জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে যাচ্ছে।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কৃষির বিভিন্ন খাত ও উপখাতে আমাদের অর্জন ভালো। বাংলাদেশ নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করে আধুনিক ও বানিজ্যিক কৃষিতে রুপান্তরিত হচ্ছে। কৃষক দরদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষির উৎপাদন খরচ কমানোর উদ্দেশে পুনরায় সারের মুল্য হ্রাস করেছেন, দিচ্ছেন নানা রকমের কৃষি প্রণোদনা।

কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানীর উদ্যোগ গ্রহণ করছে সরকার। কৃষি আধুনিকায়নে সহযোগীতা প্রয়োজন; কৃষি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে দেশে।

মন্ত্রী আরও বলেন; সামগ্রীক উন্নয়নের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা, পারস্পরিক ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতার বিকল্প হতে পারে না। অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার জন্য একটি কার্যকর পদক্ষেপ হলো আঞ্চলিক সহযোগি জোট গঠন করা।

যথার্থ অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সহযোগিতা ও সমঝোতা। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন জনীত সমস্যা মোকাবেলায় আঞ্চলিক সহযোগীতা একান্ত প্রয়োজন।

আমাদের কৃষির আরও উন্নয়ন ঘটাতে হবে। সার্কের আওতায় কৃষিতথ্য কেন্দ্র (Agricultural Information Centre) খাদ্য সুরক্ষণ ব্যবস্থাপনা ও দারিদ্র্য দূরীকরণের কমিশন গঠন একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

কী নোট উপস্থাপন করেন Indian Council of Agriculture Research (আইসিএআর) মহাপরিচালক ড. ত্রিলোচন মহাপাত্রা। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিয়েছেন স্বাধীন দেশ। বর্তমান প্রধান তার দূরদর্শি নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিনত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. এস.এম বখতিয়ার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য করেন কৃষি সচিব মোঃ নাসিরুজ্জামান ও পরারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক নাহিদা রহমান সুমস। সভাপতিত্ব করেন কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড.কবীর ইকরামুল হক।

খাদ্যশস্য ও প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে আরো মনোযোগী হতে হবে; কৃষিমন্ত্রী সংবাদটির তথ্য কৃষিমন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন।


Share It
  • 20
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    20
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here