Exif_JPEG_420

মোঃ ইমরান  ইসলাম,    নওগাঁ প্রতিনিধি:  গ্রাম বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য লাঙ্গল দিয়ে জমি চাষ করার সময় কৃষকের মুখ থেকে ডানে বাঁয়ে যা যা হুট হাট কথাগুলো শোনা যেত। আরে যা,বাঁয়ে যা,  ডানে যা, সোজা যা, কৃষক ও গরুর মধ্যে কথোপকথন বলার এই শব্দগুলো আর ভোরবেলায় শোনা যায় না।এই ভরা বর্ষা মৌসুমে ভোরবেলায় কৃষক তাদের জমি চাষ করার জন্য লাঙ্গল জোয়াল মই কাঁধে ও জোড়া হালের বলদের দড়ি হাতে নিয়ে মাঠে ছুটতেন।বর্ষায় রিমিঝিম বৃষ্টির সাধে মাথায় গামছার পাগড়ি বা মাতল মাথায় বেঁধে জমি চাষ করতে করতে মনের সুখে ভাটিয়ালী ও পল্লীগিতী গান গাইতেন।আর গরুর সাথে কথা বলতেন ডানে বাঁয়ে সোজা যা হুট হাট করে।গ্রাম বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য গরু দিয়ে জমি চাষ ও মই দেওয়ার দৃশ্য আর তেমন চোখে পড়ে না।কৃষকের কাঁধে লাঙ্গল জোয়াল মই ও হাতে জোড়া হালের বলদের দড়ি ছিল,এক সময় গ্রাম বাংলার চিত্র।নিয়ামতপুর উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের দারাজপুর গ্রামের কৃষক নয়ির উদ্দিন  এই প্রতিবেদকে বলেন, আগে বাবার সাথে হালের বলদ নিয়ে মাঠে গিয়ে লাঙ্গল দিয়ে জমি চাষ করতাম।লাঙ্গল দিয়ে জমি চাষ করলে, লাঙ্গলের ফলা মাটির অনেক গভীরে যায়।

Exif_JPEG_420

এতে মাটি ভাল ভাবে আলগা ও নরম হয়।জমিতে কাঁদাও বেশি হয় ও আগাছা কম হয়ে থাকে, তুলনামূলক ভাবে ফলন ভাল হয়। কৃষিতে আধুনিকের ছোঁয়া লেগেছে।আগে যেখানে এক জোড়া হালের বলদ দিয়ে সারাদিনে দেড়  থেকে দুই  বিঘা জমি চাষ করা যেত। এখন সেখানে পাওয়ার টিলার বা ট্রাক্টর দিয়ে এক ঘন্টায় দুই বিঘা জমি চাষ করা যাচ্ছে। এতে করে কম সময়ে কম খরচে পাওয়ার টিলার বা ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষাবাদ করা যাচ্ছে। নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্র থেকে জনা যায়, চলতি  মৌসুমে উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ হাজার ৬ শত ৬৫ হেক্টর।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জনাব রফিকুল ইসলাম বলেন, এবার চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নের ১ হাজার ১ শত ২০ জন কৃষকের মাঝে আউশ ধানে বীজ বিতরণ করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here