জয়পুরহাটের কালাই পৌরসভার মেয়র শূণ্য পদে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ

Share It
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ- নিরেন দাস।চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারী জয়পুরহাটের কালাই পৌরসভার মেয়র খন্দকার হালিমুল আলম জন চিকিৎসাধীন অবস্থাশ ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যায়।

সেই থেকে কালাই পৌরসভার মেয়রের পদটি শূন্য হয়। গত ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নির্বাচন পরিচালনা-২ অধীশাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা গেছে, ১০ অক্টোবর কালাই পৌরসভার মেয়র শূণ্য পদে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হবে। দীর্ঘ ৮ মাস পর কালাই পৌরসভার মেয়রের শূণ্য পদে আজ শনিবার মেয়র পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত একটানা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর ভোট দেয়ার মাধ্যমে ভোটাররা নির্ধারণ করবেন কে হবেন পৌর মেয়র। ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনসহ নির্বাচনী মালামাল কেন্দ্রে পৌঁছানোর যাবতীয় প্রস্তিুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।ভোটার সংখ্যা এবং আয়তনের দিক দিয়ে কালাই পৌরসভা ছোট হলেও এ নির্বাচন ঘিড়ে নেয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

কালাই উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই পৌরসভার মোট ৯টি ওয়ার্ডের ৯টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে ১৩ হাজার ৫শ ২১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ হাজার ৪শত ৪৯ জন এবং মহিলা ভোটার ৭ হাজার ৭২ জন। কালাই পৌরসভার মেয়র শূণ্য পদে উপনির্বাচনে মেয়র পদে ৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। মেয়র প্রার্থীরা হলেন, উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী মো.তৌফিকুল ইসলাম তালুকদার বেলাল নৌকা মার্কা, জেলা বিএনপি’র সদস্য ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো.আনিছুর রহমান তালুকদার ধানের শীষ মার্কা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.মামুনুর রশিদ নারিকেল গাছ মার্কায় প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

কালাই উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. আবুল কালাম জানান,  আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়ন ও নির্বাচনী মালামাল কেন্দ্রে পৌঁছানোসহ যাবতীয় প্রস্তিুতি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং কালাই পৌরসভার মেয়র পদে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে।

পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডের ৯টি কেন্দ্রে ৪০টি কক্ষে ভোটগ্রহণ করা হবে তাই আজ নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই উপনির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে আনসার, পুলিশ সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োজিত থাকবেন। নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ম্যাজিস্ট্রেট আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন।

তাছাড়া ভোটগ্রহণের সময় র‌্যাবের টিম ও বিজিবি”র টহল দল সহ সার্বক্ষণিক স্ট্রাইকিং ফোর্স নিয়োজিত থাকবে। এছাড়াও নির্বাচনের সময়ে কোনো প্রকার অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক শান্তির জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মোবাইল টিম নিয়োজিত থাকবেন। পৌরসভার এ উপনির্বাচনে কঠিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ভোটারদের নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে আসা এবং ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে সব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নির্বাচনে অনিয়ম করলে কেউই পার পাবেন না। নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতেও ব্যাপক প্রস্তিতি নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।


Share It
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here