তুরষ্কে চাঞ্চল্যকর নারী হত্যার বিচার শুরু

Share It
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

তুরষ্কে সাবেক স্বামীর ছুরি হামলায় এক নারীর হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হয়েছে বুধবার। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে দেশব্যাপী ব্যাপক কৌতুহল দেখা দিয়েছে। এর আগে হত্যাকান্ডের ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়লে নারীর প্রতি সহিংসতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয় দেশজুড়ে।

আগস্ট মাসে তুরষ্কের আনাতোলিয়া শহরের একটি ক্যাফেতে ৩৮ বছর বয়সী এমাইন বুলুতকে তার সাবেক স্বামী একাধিকবার ছুরিকাঘাত করে। এসময় তাদের দশ বছর বয়সী কন্যা সেখানেই উপস্থিত ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নারীকে পরে হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালেই তার মৃত্যু ঘটে।

মর্মান্তিক এ ঘটনার ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওতে দেখা গেছে, রক্তাক্ত বুলুত বিড়বিড় করে তার কন্যাকে বলছেন, ‘আমি মরতে চাই না।’

কাঁদতে কাঁদতে কন্যাটি বলছে, ‘মা, মা তুমি মরো না।’

চার বছর আগে বুলুত ও ভারানের বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটে। দোষী সাব্যস্ত হলে বুলুতের সাবেক স্বামী ফেদাই ভারানের(৪৩) যাবজ্জীবন কারাদন্ড হতে পারে। ভারান পুলিশের কাছে দাবি করেন, বুলুত তাকে অপমান করেছিল।

তুরষ্কের নারী মানবাধিকার গ্রুপ ‘উই উইল স্টপ ফেমিসাইড’ এর তথ্যমতে, দেশটিতে ২০১১ সালে ১২১ নারী হত্যার শিকার হন। এ সংখ্যা ২০১৭ সালে এসে দাঁড়ায় ৪০৯ জনে। এছাড়া ২০১৮ সালে ৪৪০ জন নারী হত্যাকাণ্ডের শিকার হন দেশটিতে। সর্বশেষ ২০১৯ সালের প্রথম নয় মাসে মোট ৩৫৪ জন তুর্কি নারী সহিংসতার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।


Share It
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here