দেড়মাস অতিবাহিত হলেও নব-বধূর মৃত্যুরহস্য এখন ও অন্ধকারে

Share It
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    5
    Shares

মোরশেদ আলম ,যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: যশোর কেশবপুরে যৌতুকের শিকার নব-বধূ সালমা খাতুনের মৃত্যুরহস্য এখন ও উন্মেচিত হয়নি। সালমা খাতুনের পিতার অভিযোগ হত্যা আর স্বামীর অভিযোগ হচ্ছে আত্নহত্যা। মৃত্যুরহস্য অন্ধকারেই রয়েগেছে।
এলাকাবাসি সূত্রে জানাগেছে, কেশবপুর উপজেলার গোপসেনা গ্রামের মোসলেম গাজীর পূত্র ওমর ফারুক (৪২) এর সাথে গত ১ জুন মণিরামপুর উপজেলার পারখাজুরা গ্রামের মজিবার রহমানের কন্যা সালমা খাতুন (২৫) এর বিবাহ সম্পন্ন হয়। যে বিবাহ ওমর ফারুকের প্রথম স্ত্রী রাশিদা বেগম (৩৬) ও তার পূত্র সুমন (২০) মেনে নেয়নি। বিবাহের পর থেকে যৌতুকের দাবীতে তারা প্রায়ই নব-বধূ সালমার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালাতো । বিবাহের মাত্র ২৪ দিনের মাথায় গত ২৪ জুন ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমা খাতুন এর লাশ পাওয়া যায়। স্থানীয় চিংড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই দীপক দত্ত সালমা খাতুনের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর মর্গে প্রেরণ করেন। সেই থেকে স্বামী ওমর ফারুক, তার প্রথম স্ত্রী রাশিদা বেগম ও পূত্র সুমন পলাতক রয়েছে।
মৃত সালমা খাতুনের পিতা মজিবার রহমানের অভিযোগ, যৌতুকের দাবী পূরণ করতে না পারায় তার জামাই ওমর ফারুক, তার প্রথম স্ত্রী রাশিদা বেগম ও পূত্র সুমন মিলে তার মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে দিয়ে এলাকায় আত্নহত্যার অপপ্রচার চালিয়েছে। তার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে, তাই যদি না হবে তাহলে বাড়ীর লোকজন সব পালিয়েছে কেন? তিনি আইনের মাধ্যমে তার মেয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।


Share It
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    5
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here