ফেনীর সোনাগাজীতে প্রেমিকাকে ধর্ষণ করে কথিত প্রেমিক। পরে বিয়ে করার শর্তে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দিতে পাঠায় থানায়। পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। পরে প্রেমিকের বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতা।

গত ১৫ অক্টোবর ফেনীর সোনাগাজী থানায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ দেয় নবম শ্রেণির এক ছাত্রী। তাকে লিখিত এজাহার দেয়ার কথা বললে, পরে আর যোগাযোগ করেনি সে। নির্যাতিতার অভিযোগসংবলিত একটি ভিডিও নজরে আসলে তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ জানায়, নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল প্রতিবেশী সাকিবের। গত ২৮ আগস্ট বাড়িতে একা পেয়ে তাকে ধর্ষণ করে সে। এরপর সে শর্ত দেয়, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা করলেই করবে বিয়ে।

প্রতারণার শিকার নির্যাতিতা ওই ছাত্রী বলে, আমার নানু মারা গেলে সেখানে মা যান। সে সময় ও (প্রেমিক) আসে। তখন ও আমাকে বলে, আগে হলেও আমাকে বিয়ে করবে পরে হলেও করবে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম পলাশ জানান, নির্যাতিতা স্কুলছাত্রী মামলা করলে অভিযুক্ত সাকিবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে তার ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

এর আগে ২০১৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ফেনী শহরের একটি আবাসিক হোটেলে প্রবাসীর স্ত্রীসহ আপত্তিকর অবস্থায় সাকিবকে আটকের পর ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here