ধানের বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের মুখে

Share It
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares

কিশোরগঞ্জের হাওরে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বাম্পার ফলনেও খুশি হতে পারছেন না কৃষক। চলমান করোনা পরিস্থিতিতে চড়া মজুরি দিয়েও মিলছে না ধানকাটা শ্রমিক। আগাম বন্যার আশঙ্কায় ক্ষেতের ফসল ঘরে তোলা নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা।

কিশোরগঞ্জে এবারও বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। মাঠে মাঠে রং ছড়াচ্ছে সোনালী ধান। তবে ভালো ফলনেও হাসি নেই কৃষকের মুখে। প্রতি বছর এ সময় উত্তরাঞ্চল থেকে হাওরে ধান কাটতে আসেন হাজার হাজার শ্রমিক। তবে এবারের দৃশ্যটা ঠিক উল্টো। করোনায় থমকে আছে সারা দেশ। তাই চড়া মজুরি দিয়েও মিলছে না শ্রমিক। এদিকে আগাম জাতের ৩৫ ভাগ ধান কাটা শুরু হলেও ব্রি-২৯ জাতের ৬৫ ভাগ ধানই কাটা শুরু হতে এখনও বাকি ১৫ দিন। রয়েছে আগাম বন্যার আশঙ্কা। এ অবস্থায় সময় মতো ধান কাটা নিয়ে উদ্বিগ্ন কৃষক।

গত বছর ধানের কাঙ্ক্ষিত দাম পায়নি হাওরের কৃষক। তাই এবার উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় সংসার খরচ ও ধার-দেনা মিটাতে কাটার পরই জমির পাশেই কম দামে ভেজা ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন অনেকে। সরকারের প্রতি দ্রুত সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বন্যার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে পুরো পাকার আগেই ধান কেটে ফেলার পরামর্শ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তার।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. ছাইফুল আলম বলেন, বন্যার সতর্ক বার্তা আছে আমাদের কাছে। এই বিষয়ে আগেই আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। ৮০ শতাংশ পাকলেই কেটে ফেলতে বলা হচ্ছে।

চলতি মওসুমে কিশোরগঞ্জে ১ লাখ ৩ হাজার হেক্টর জমিতে চাল উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ৬ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন।


Share It
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here