নলতায় নবকিরণ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

নলতায় নবকিরণ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা
নলতায় নবকিরণ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা
Share It
  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    3
    Shares

মাসুদ পারভেজ, কালিগঞ্জঃবাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় ও কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বমন্বয়ে গঠিত নবকিরণ ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অস্বচ্ছল পরিবার থেকে যে সকল মেধাবী শিক্ষার্থী অর্থের অভাবে বিশ^বিদ্যালয় ও কলেজে ভর্তি হতে পারেনা তাদেরকে আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ সহ গরীব, অসহায় এবং দূর্যোগে মানুষের পাশে দাড়ানো এই সংগঠনের কাজ।
সোমবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা জেলার নলতা অডিটোরিয়োমে এই নবকিরণ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, উপহার প্রদান এবং কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা থেকে ভিডিও কলের মাধ্যমে কৃতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যানমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি।
নবকিরণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি আহছান কবির টুটুলের সভাপতিত্বে ও নলতা আহছানিয়া রেসিডেন্সিয়াল কলেজের সিনিয়র শিক্ষক মানস চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য এস.এম আসাদুর রহমান সেলিম, ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের সহকারি অধ্যাপক আমিনুর রহমান, নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোনায়েম, নলতা প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম, কালিগঞ্জ রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি নিয়াজ কাউসার তুহিন, নলতা ইউনিয়র আওয়ামীলীগের সভাপতি আনিছুজ্জামান খোকন, ইউপি চেয়ারম্যান কে.এম আরিফুজ্জামান তুহিনসহ আরো অনেকে।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক বলেন, বর্তমান জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, কৃষি, তথ্যসহ সার্বিক বিষয়ে উন্নয়ন করে যাচ্ছে। শিক্ষকমন্ডলীদের পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি খেলাধুলা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিসহ আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। সকল বিষয়ের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। ধর্মীয় গোড়ামী থেকে শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে হবে। তাহলে একদিন এদেশ সোনার বাংলায় পরিণত হবে। পীর কেবলা হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) অবিভক্ত বাংলার শিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক থাকাকালীন সময় ছাড়াও সারাজীবন শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে গেছেন। তোমরাও একদিন সু শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের মুখ উজ্জল করবে।
অনুষ্ঠান শুরুতে উপস্থিত অতিথিদের ফুলের তোড়া ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

Share It
  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    3
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here