নিউইয়র্কে ফাহিম খুনে আটক নেই, খুনি এসেছিলেন উবারে!

Share It
  • 12
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    12
    Shares

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং সেবা পাঠাও-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ খুন হওয়ার একদিন পরও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কূল-কিনারা হয়নি রহস্যের।

তবে পুলিশ সন্দেহভাজন খুনির ব্যবহার করা একটি উবার গাড়ির খোঁজ পেয়েছে। এই ক্লু নিয়েই এখন খুনের রহস্য উন্মোচনে নেমেছে পুলিশ। সেই সাথে ফাহিমের ব্যবসায়ীক কোনো শত্রুতা ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ধনাঢ্য বাংলাদেশি তরুণের নৃশংস খুনের ঘটনায় স্তম্ভিত প্রবাসীরা।

যে নগরী স্বপ্ন দেখায়, সেখানে স্বপ্নবাজের এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউ। বাংলাদেশে পাঠাও-এর শেয়ার বিক্রি করে দুই বছর আগে নাইজেরিয়ায় একই ধরনের ব্যবসা শুরু করেছিলেন ফাহিম সালেহ।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের মেধাবী এই ধনাঢ্য বাংলাদেশি তরুণকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা বুধবার দিনভর যুক্তরাষ্ট্রে আলোচনায় ছিল। প্রবাসীরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

বুধবার ফাহিমের অ্যাপার্টমেন্টে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশ তদন্তে ব্যস্ত। সার্বক্ষণিক প্রহরী বসানো হয়েছে সেখানে। ভবনটিতে প্রবেশ ও বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ। জানা গেছে, সন্দেহভাজন খুনি একটি উবারে চেপে অ্যাপার্টমেন্টে এসেছিল। পুলিশ এখন সেই উবারের সন্ধানে নেমেছে। তাছাড়া নাইজেরিয়ায় রাইড শেয়ারিং কোম্পানি চালু করা নিয়ে ফাহিম সেখানে কী ধরনের বাধার মুখে পড়েছিলেন, তার ব্যবসায়িক সহযোগী কারা, আগে কোনো হুমকি পেয়েছিলেন কি-না এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

এদিকে, ফাহিমের খুন হওয়া কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তার স্বজনরা।

নিহত ফাহিমের চাচা বলেন, এরকম একটা ঘটনার জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না।

নিউইয়র্কের এই বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে ধনাঢ্য ব্যক্তিরা বসবাস করলেও ভবনের বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত নেই কেউ। অনেকে মনে করছেন, এই সুযোগটিই নিয়েছে খুনি। নিজ ফ্ল্যাটে খুন হওয়ার পর পুলিশ মঙ্গলবারে বিকেলে এপার্টমেন্টের বিভিন্ন স্থান থেকে ফাহিমের খণ্ড-বিখণ্ড লাশ উদ্ধার করে।


Share It
  • 12
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    12
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here