পীরগঞ্জের যৌতুক লোভী মাদ্রাসা শিক্ষক এখন শ্রীঘরে

Share It
  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    7
    Shares

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় শফিউল আলম নামের একজন যৌতুক লোভী মাদ্রাসা শিক্ষক স্ত্রীর ওপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় এখন শ্রীঘরে। অভিযুক্ত ওই উপজেলার ধর্মতাসপুর আমিনিয়া দাখিল মাদ্রাসার একজন শিক্ষক ও পীরগঞ্জের ঘোষাপর হাজী ফজলারের ছেলে।
মামলা ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, উল্লেখিত মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক শফিউল আলম ২০১৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বিয়ে করেন। এরপর থেকে তার পীরগঞ্জের ছোট মির্জাপুর গ্রামে বাসিন্দ সাইফুল ইসলার কন্যা রাবিনা আক্তার রুমার (স্ত্রী) মাধ্যমে শ্বশুরের কাছ থেকে প্রথমে ধার হিসেবে ৫০ হাজার টাকা, পরে মাদ্রাসার বিল করার জন্য ৬০ হাজার টাকা, বাড়ি মেরামত করার জন্য ২ লাখ টাকা, বন্দকি জমি খোলার জন্য ৩ লাখ টাকা সর্বমোট ৬ লাখ দশ হাজার টাকা ধার নেন। পরে বলেন যে, ওই টাকা তিনি যৌতুক হিসেবে নিয়েছেন। এখন আরও ৫ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে নিতে স্ত্রীর কাছে চাপ প্রয়োগ করছেন। স্ত্রী রবিনা আক্তার রুমা ও শ্বশুর সাইফুল ইসলামের সঙ্গে ফোনালাপে ওই ৫লাখ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে শুরু হয় স্ত্রী রবিনা আক্তার রুমার ওপর শারীরিক ও অমানুষিক নির্যাতন। এরই এক পর্যায়ে রুমা বাধ্য হয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক স্বামীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-৩ রংপুরে একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ জারি করলে আসামি শফিউল আলম গত ১২ আগস্ট আদালতে জামিনের আবেদন জানান। বিচারক তার জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে জেলা হাজতে প্রেরণ করেন। বর্তমানে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-৩ এ বিচারাধীন রয়েছে।

Share It
  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    7
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here