তিনি মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলামের স্ত্রী। গুরুতর আহত নুরজাহান ইসলামকে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ২ নম্বর পতনঊষা ইউনিয়নের ধুপাটিলা গ্রামে।

নুরজাহান ইসলামের ছেলে বদরুল ইসলাম রুবেল জানান, জমিসংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার সকালে ও দুপুরে পার্শ্ববর্তী বাড়ির মৃত করামত উল্যার ছেলে প্রবাসফেরত জসিম মিয়া (৪২) তাঁদের বাড়িতে গিয়ে আমার মাকে হুমকি দেয়। সন্ধ্যায় আমার মা পাওনা এক লাখ টাকা দিতে গ্রামের ব্যবসায়ী সনওয়ার মিয়ার দোকানে যান।

এ সময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে জসিম মিয়া ও তাঁর সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান জখম হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন নুরজাহান ইসলামকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

খবর পেয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গুরুতর আহত সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য, আওয়ামী লীগ নেত্রী, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য নুরজাহান ইসলামকে দেখতে যান কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আছলম ইকবাল মিলন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম, কমলগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নানসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতারা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিনকে পাওয়া না গেলেও তাঁর বড় ভাই নঈমুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, জমিসংক্রান্ত পূর্ববিরোধ রয়েছে। তবে এ ধরনের হামলা ও মারধর মোটেই ঠিক হয়নি। আমি নিজেও এ ঘটনায় মর্মাহত।

কমলগঞ্জ থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, এ ঘটনাটি আমি অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তক্রমে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here