পৈত্রিক ভিটা ভূমি দস্যুর দখলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনায় মুক্তিযোদ্ধার খোলাচিঠি

Share It
  • 611
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    611
    Shares

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে মুক্তিযোদ্ধার খোলাচিঠি

বীর  মুক্তিযোদ্ধা অজিত রঞ্জন বড়ুয়া এর পৈত্রিক ভিটা বাড়ি ভূমিদস্যুও চাঁদাবাজ,সন্ত্রাসীর দখলে(ভারতীয় তালিকার মুক্তিযোদ্ধা) সোনাইমুড়ি ,উপজেলা,নির্বাহী অফিসার,ভিটা,বাড়ি উদ্ধারে,ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের নিকট অসহায়।ভিটা,বাড়ি উদ্বারে প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা।


মানবাধিকার কোথায় আজ,মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে কি মানবাধিকার প্রযোজ্য নয়।বীর মুক্তিযোদ্ধা অজিত রঞ্জন বডুয়া এর,তপশীলোক্ত পৈত্রিক ভিটা বাড়ি বহু দিন পযর্ন্ত স্থানীয় ভূমি দস্যু ও সন্ত্রাসী দ্বারা বেদখল থাকায় একজন সাহসী বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বে ও তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিরোধ গডে তুলতে পারেননি।বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে হওয়ায় পৈত্রিক ভিটাবাড়ি ফেরত পাবার আশায় প্রশাসনে বহু স্থানে /দ্বারে,দ্বারে প্রতিকারের জন্য আবেদন, নিবেদন করেন এরই পেক্ষিতে গত ১৭/৭/২০১৯ ইংরেজি বুধবার, উপজেলা নির্বাহি অফিসার,এর কার্যালয়ে এক গনশুনানির আয়োজন করেন।

গনশুনানিতে মিয়াপুর বড়ুয়া পাড়ার সাবেক মেম্বার,বাবু রতন বডুয়া ও শিক্ষক শুনিল বডুয়া সহ আরো অনেক গন্য মান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।উক্তগনশুনানীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সন্ত্রাসী ভূমিদস্যু নির্মল রাজ বংশীকে মুক্তিযোদ্ধা অজিত রঞ্জন বড়ুয়ার পৈত্রিক ভিটা বাড়ি সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে কেন দখল করিয়াছ,জিজ্ঞাসা করিলে সে জানায়,এটা তাদের ভিটা বাড়ি,তখন তপশীলোক্ত খতিয়ান দেখাতে বলিলে সে জানায় উল্লেখিত দাগের কোনো খতিয়ান তাদের নাই।

এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সন্ত্রাসী নির্মল রাজ বংশী হুমকি স্বরে বলে উঠে আপনাকে কোনো কাগজ পএ দেখাতে আমরা বাধ্য নই। মুক্তিযোদ্ধার ঘর কেন ভেঙ্গেদিয়েছ,(যাহা গত ২২/০৪/২০১২ ইং ঘর ভেঙ্গে দেয়।)উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিজ্ঞাসা করিলে সন্ত্রাসী নির্মল রাজবংশী উওেজিত হয়ে বলে আমাদের জায়গা উপর ঘর ছিল তাই ভাঙ্গিয়া দিয়েছি, গনশুনানি চলাকালীন উপজেলা নির্বাহি কর্মর্কতা জনাবা,টিনা পাল এর সামনেই বাদি মুক্তিযোদ্ধা,অজিত রঞ্জন বডুয়া কে এবং উপস্থিত গন্য, মান্য ব্যক্তি গনের সম্মুখে হুমকি, ধমকি প্রদর্শন করে থাকে। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো জন্য তাকে বার, বার সংযত আচরণ করতে বলেন।উপজেলা নির্বাহী অফিসার উক্ত গনশুনানীর কেন সুরাহা প্রদান করেননি তাহা বোধগম্য নহে। অজিত রঞ্জন বড়ুয়া, পিতা- মৃত চন্দ্র মোহন বড়ুয়া, গ্রাম- মিয়াপুর, (বড়ুয়া পাড়া), ডাকঘর- রশিদপুর, থানা- সোনাইমুড়ি, (সাবেক- বেগমগঞ্জ), জেলা- নোয়াখালী।

১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করে থাকে। ভারতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যান ট্রাষ্টে রক্ষিত প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় ০৪নং খন্ডে ২৮৭৩৯ (আটাইশ হাজার সাতশত ঊনচল্লিশ) নং ক্রমিকে নাম লিপিবদ্ধ রহিয়াছে। বর্তমানে নোয়াখালী জেলার, সেনবাগ-থানার মতইন গ্রামে বার্ধক্য জনিত রোগাক্রান্ত হইয়া অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করিতেছে।

পার্শ্বেলিখিত ব্যক্তিগণ তফশীল সম্পত্তির পাশাপাশি বাসিন্দা,তাহারা স্বাধীনতা বিরোধী কিছু কুচক্রী ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী মহলের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধা অজিত রঞ্জন বড়ুয়ার পৈত্রিকভাবে স্বত্ব দখলীয় ভিটা বাড়ী জোড় পূর্বক দখল করিয়া আছে। স্বাধীনতার সুদীর্ঘ ৪৮ বছর পরও স্বাধীনতা বিরোধী এই কুচক্রী ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী মহল থেকে মুক্তিযোদ্ধারা রেহাই পাচ্ছে না। উক্ত মুক্তিযোদ্ধার পৈত্রিক ভিটা-বাড়ীর সকল বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কুচক্রী ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী মহলের কাছে অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করিতেছে, এই ব্যাপারে তিনি আইনী সহায়তা থেকে বঞ্চিত।

তপশীল সম্পত্তিতে জোরপূর্বক অনধিকার প্রবেশ করত বেদখল, বাড়ী ঘর ভাংচুর, চাঁদা দাবী ও গাছপালা কর্তনসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ করিতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ অজ্ঞাতকারনে অভিযোগ নিতে অনীহা প্রকাশ করে। পরবর্তীতে নোয়াখালী জেলার বিজ্ঞ আদালতে পিটিশন মামলা নং- ২৬৯/১২ দায়ের এর প্রেক্ষিতে সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ কর্তৃক তদন্ত প্রতিবেদন-উল্লেখ করে ১৯৮৪ ইং সালে জনৈক আঃ রশিদের নিকট সাফ কবলা মূলে বিক্রি এবং আঃ রশিদ কর্তৃক মধুসুদন রাজবংশীর সহিত মৌখিকভাবে এয়াজ বদলনামা মূলে প্রাপ্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হইলেও তাহাদের পক্ষ থেকে কোন সাফ কবলার বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করিতে পারে নাই। উল্লেখ থাকে যে, উক্ত বসত ভিটায় ২টি বসত ঘর ও ১টি রান্না ঘর ভাংচুর করিয়া বিভিন্ন মালামাল ও ব্যবহৃত মূল্যবান আসবাবপত্র নিয়া যায়।

স্বাধীনতা বিরোধী ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজসন্ত্রাসী মহলের উপরোল্লিখিত সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারনে মুক্তিযোদ্ধা অজিত রঞ্জন বড়ুয়া, তপশীলোক্ত সম্পত্তিতে যাতায়াত কিংবা বসবাস করিতে না পারায় এক প্রকার বাধ্য হইয়া অন্যত্র বসবাস করিতেছে এবং তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্ন সময় হুমকি ধমকি দিচ্ছে ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা।

এই তপশীলোক্ত সম্পত্তি ব্যাপারে নোয়াখালী জেলার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা নং- ১৪৬/২০১৩, তাং- ০৮/০৪/২০১৩ইং দায়ের করিলেও এ ব্যাপারে কোন সুরাহা হয় নাই। উপরোক্ত সার্বিক বর্ণনার আলোকে ভারতীয় তালিকার মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭১ সালে সম্মুখ যুদ্ধে পাকহানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করিয়াছে, যুদ্ধ কালীন সময়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করিয়া দেশ স্বাধীন করিয়াছে। তাহার পৈত্রিক সম্পত্তি ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের দখল হইতে উদ্ধারের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী এবং সুশীল সমাজের প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ হস্তক্ষেপ ও সুবিচার কামনা করেন।

তপশীল (ক)
নোয়াখালী জেলার সাবেক- বেগমগঞ্জ, হাল-সোনাইমুড়ি থানাধীন ২৬২ নং উত্তর মিয়াপুর মৌজার ৪৩/৪৪ নং খতিয়ানের ২৫৮ দাগের মোট- ৪৫ শতাংশ সম্পত্তি।

তপশীল (খ)
নোয়াখালী জেলার সাবেক-বেগমগঞ্জ, হাল-সোনাইমুড়ি থানাধীন ২৬২ নং উত্তর মিয়াপুর মৌজার ৪৪ নং খতিয়ানের ১২৫ ও ২৫৮ দাগদ্বয়ের মোট- ৪.৮৮ একর সম্পত্তি ।

বিবাদীগণের নাম/ঠিকানা-
১। নির্মল রাজবংশী (৩৮)
পিতা- মধুসদন রাজবংশী
২। মধুসুদন রাজবংশী (৭২)
পিতা- মৃত বেনী মাধব রাজবংশী,
সর্বসাং- মিয়াপুর, থানা- সোনাইমুড়ী
জেলা- নোয়াখালী। আরো অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন সন্ত্রাসী।


Share It
  • 611
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    611
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here