পৌরসভা এলাকায় অপরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণে, গ্রামবাসীর বাঁধা

Share It
  • 17
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    17
    Shares

মো: দুলদুল হোসেন রাজু, ভূঞাপুর (টাংগাইল) প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌরসভার ছাব্বিশা গ্রামে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু করায় গ্রামবাসী বাঁধা দিয়েছে। এছাড়াও ড্রেন নির্মাণ কাজ বন্ধ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে গ্রামবাসী।
অভিযোগে জানা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবেলার জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের অধীন ভূঞাপুর পৌর এলাকা ছাব্বিশা গ্রামের জাহাঙ্গীরের বাড়ি হতে শালদাইর ব্রীজ সংলগ্ন ৩৭০ মিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণের টেন্ডার আহ্বান করে পৌরসভা। পরে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স নার্গিস এন্টারপ্রাইজ কাজ পেয়ে ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করে। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে ওই এলাকায় ড্রেন নির্মাণ করা হলে প্রায় ৩০টি পরিবারসহ কয়েকশ একর কৃষিজমি নষ্ট হয়ে যাবে। ড্রেন নির্মাণ হলে সেই ড্রেনের ময়লা আবর্জনা ও পয়নিষ্কাশনের পানি কৃষি জমিতে গিয়ে পড়বে।
পৌরসভার ছাব্বিশা গ্রামের নজরুল ইসলাম, মুক্তার, জাহাঙ্গীর হোসেন, ইছানুরসহ অনেকেই বলেন, গ্রামের মধ্যে নামমাত্র ও অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণ হলে সেটি কোন কাজই আসবে না। সেটাও আবার অনেকের ব্যক্তি জমির উপর দিয়ে নির্মাণ করা হবে। এতে পাঁকা ঘর বাড়ি, সীমানা প্রাচীর ভেঙে করতে হবে। এছাড়া ড্রেনের ময়লা আবর্জনা ও পয়নিষ্কাশনের পানি গিয়ে ফসলি জমির উপর পড়বে। এতে ফসলের ক্ষতিসহ অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। সরকারি খাল ও ফাঁকা জায়গা দিয়ে ড্রেন নির্মাণ করা হলে কারো ক্ষতি হবে না।
পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের (ছাব্বিশা) কাউন্সিলর আব্দুস ছাত্তার বলেন, এলাকায় ড্রেন নির্মাণে আমাকে অবহিত করা হয়নি। আমার এলাকায় উন্নয়ন কাজ হবে অথচ আমিই জানি না। কবে টেন্ডার হয়েছে কবে কাজ শুরু হয়েছে সেটাও জানি না। গ্রামের ড্রেন নির্মাণ হলে অনেক মানুষের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
ভূঞাপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সুকোমল রায় বলেন, সরেজমিনে গিয়েই ড্রেনের প্রাক্কলণ তৈরি করে পাঠানোর পর সেটা কাজের অনুমোদন হয়েছে। স্থানীয়রা যদি ওই এলাকায় ড্রেন না চান তাহলে ড্রেনের কাজ হবে না।
তিনি আরো বলেন, পৌরসভার কাজে উপজেলা প্রশাসনের কিছু করার সুযোগ নেই। সুতরাং সেখানে অভিযোগ দিয়ে লাভ নেই।
ভূঞাপুর পৌরসভার মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ বলেন, প্রকল্পটি জনস্বার্থে করা হয়েছে। যারা অভিযোগ দিয়েছে তারা জনস্বার্থবিরোধী করেছে। সরকারি খাল ও সরকারি জায়গা ব্যবহার করে ড্রেন নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে। ওই গ্রামে ড্রেন হলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে না।

Share It
  • 17
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    17
    Shares

Leave a Reply