এবার মেঘালয়ের সব বাঙালিকে ‘বাংলাদেশি’ দাবি করেছে সেখানকার খাসি ছাত্র সংগঠন। বাংলা ভাষাভাষীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবিতে বিক্ষোভও করেছে সংগঠনটি। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থানে দুই পক্ষ। যা নিয়ে আসামের পর এবার মেঘালয়ে শুরু হয়েছে উত্তেজনা। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এ নিয়ে নতুন করে রাজনীতি শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জাতীয় নাগরিক তালিকা-এনআরসি নিয়ে ২০১৮ ও ১৯ সালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ভারতের আসামে। রাজ্যটির নাগরিকত্ব তালিকা থেকে বাদ পড়েন ১৯ লাখের বেশি মানুষ। তাদের বাদ দেয়া হয় ‘বাংলাদেশি’ অভিযোগ করে। এ নিয়ে সৃষ্ট সংকট সেসময় গোটা ভারতে ছড়িয়ে পড়ে।

পরে কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন-সিএএ নিয়ে আসে। আনা হয় জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধন-এনপিআর-ও। সংখ্যালঘুরা এসব আইনের কারণে বেশি নিগৃহীত হবেন বলে ভারতের বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ।

এবার নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ে। সেখানকার সব বাঙালিকেই ‘বাংলাদেশি’ বলে দাবি করা শুরু হয়েছে। এমন দাবি তুলেছে খাসি ছাত্র সংগঠন-কেএসইউ। এ নিয়ে সেখানে হয়েছে বিক্ষোভ। এতে পাল্টাপাল্টি অবস্থানে স্থানীয় বাংলাভাসি ও খাসিরা।

মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বলেন, পরিস্থিতি যাতে খারাপ না হয় তাই আমরা খাসি ও বাঙালি সংগঠনগুলোর সঙ্গে কথা বলছি। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে।

এদিকে, সম্প্রতি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ঘোষণা দিয়েছেন, ভারতে করোনার প্রকোপ কমলেই কার্যকর হবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন-সিএএ। আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। এই নির্বাচনের আগে মেঘালয়ে আন্দোলন এবং নতুন করে সিএএ ইস্যু আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here