“বিএনপির প্রার্থী, বঙ্গবন্ধুর খু’নীর স্ত্রী রিটা রহমানের ইতিহাস”

Share It
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম খু’নী মেজর খায়রুজ্জামানের স্ত্রী রিটা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের অনেক নেতাই ক্ষো’ভ প্রকা’শ করেছেন। জানা গেছে, বিএনপির সিনিয়র নেতাদের একাংশ মনে করছেন যে, রিটা রহমানের মতো বিত’র্কিত প্রার্থীকে রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়ন না দিয়ে স্থানীয় নেতাদেরই মনোনয়ন দেওয়া যেত। রিটার স্বামী শুধু বঙ্গবন্ধুর খু’নীই নয়, সে জাতীয় চার নেতা হ’ত্যারও অন্যতম আসামি ছিল। রিটাকে মনোনয়ন দেওয়ায় রংপুরের বিএনপি নেতারাও অস’ন্তোষ প্রকা’শ করেছেন।

এর আগে, গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও রিটা রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। সেসময়ও এই মনোনয়ন ঘিরে ক্ষো’ভের সৃ’ষ্টি হয়েছিল। রিটা রহমানের বাবা মশিয়ুর রহমান যাদু মিয়া ছিলেন বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সরকারের সিনিয়র মন্ত্রী।
রিটা মূলত বিএনপির জোটসঙ্গী ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি অব বাংলাদেশের প্রধান ছিলেন। তবে গতকাল রোববার তিনি নিজের দল বি’লুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদানের ঘোষ’ণা দেন।

জানা যায়, ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে ও ৩ নভেম্বর কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হ’ত্যার পর খায়রুজ্জামান দেশ ছা’ড়ে। জাতির পিতার অন্য দুই খু’নী ফারুক ও রশীদের সঙ্গে সে লিবিয়াতে আশ্র’য় নেয়। এরশাদের আমলে সে মাঝে মাঝেই দেশে আসতো। জেলহ’ত্যা মাম’লার অন্যতম আসা’মি খায়রুজ্জামানকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিলো। কিন্তু বিএনপি ক্ষম’তায় এলে জামিনে মুক্তি পায় সে। আসামি থাকা অবস্থায় বিএনপি সরকার খায়রুজ্জামানকে প্রমোশনও দেয়। এক পর্যায়ে বিএনপির আনুকূ’ল্যে জেলহ’ত্যা মামলা থেকেও অব্যা’হতি পেয়ে যায় খায়রুজ্জামান। এরপর বিএনপি সরকার তাকে মিয়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করে। ১/১১ সরকারের সময় খায়রুজ্জামান নিয়োগ পায় মালয়েশিয়ায়।

আওয়ামী লীগ ক্ষ’মতায় এসে তাকে দেশে ফিরতে বলে। কিন্তু খায়রুজ্জামান দেশে না ফিরে পা’লিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে ৬০ লাখ টাকার তহবিল তস’রুপের অভি’যোগ ছিলো। এক পর্যায়ে খায়রুজ্জামান মালয়েশিয়াকে সেকেন্ড হোম বানায়। কিন্তু মালয়েশিয়াকেও নিজের জন্য নিরা’পদ মনে না হওয়ায় কানাডায় পালি’য়ে যায় সে। প’লাতক অব’স্থাতেই তার মৃ’ত্যু হয় বলে জানা যায়।

রিটার বাবা জাদু মিয়ারও রয়েছে নানা কে’চ্ছা। তিনি অত্যাধিক ম’দ্যপান করতেন বলে জানা যায়। মাওলানা ভাসানী বলতেন, ‘চাউলের দাম বাড়লো কিনা তা আমার জাদু না জানলেও মদের দাম বাড়লো কিনা তা ঠিকই জানে।’ মুক্তিযুদ্ধের সময় জাদু মিয়ার ভূমিকা ছিল প্রশ্নবি’দ্ধ।

বিএনপি গঠনকালীন সময়েই অজ্ঞা’ত রো’গে জাদু মিয়া মা’রা যান। তার ছেলে এরশাদের মন্ত্রী শফিকুল গানি স্বপন বিশ্বাস করতেন তার বাবাকে হ’ত্যা করা হয়েছে। জাদু মিয়া মা’রা যাওয়ায় অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে বিএনপির মহাসচিব নিয়োগ করা হয়।

জানা গেছে, রিটা জামাত ঘরা’নার রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঘনি’ষ্ঠ সম্প’র্ক রে’খে চলেন। এক সময় রাজধানীর বিজয়নগরে তিনি একটি চায়নিজ রেস্টুরেন্টও খুলেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে সেটা ব’ন্ধ করে দেন।


Share It
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here