ভালো কাজের হোটেল, এখানে খেতে টাকা লাগেনা

Share It
  • 24
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    24
    Shares

সাধারণ অন্য হোটেলের মতো এই হোটেল নয়। নেই হোটেলে কোনও কর্মচারী। নেই কোনো ম্যানেজার বা ক্যাশ কাউন্টার। নেই খেতে আসা লোকেদের হাক -ডাক। হোটেলের নেই কোনও সুসজ্জিত চেয়ার অথবা টেবিল। আর সেই সাথে নেই পাঁচ মিশালী কথার হট্টগোল। আর আপনি হয়তো এমন হোটেল দেখে বা এমন হোটেলের কথা শুনে অবাক হয়ে বলবেন ‘এ কেমন হোটেল ?’

আসলে এই হোটেল হলো ‘ভালো কাজের হোটেল’। হোটেলটি রাস্তার ধরে ফুটপাথের ধরে একটি দেয়ালের ধারে অবস্থিত সেই ফুট পাঠের দেওয়ালে লালা অক্ষরে লেখা ‘ভালো কাজের হোটেল’।প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের কমলাপুর আইসিডি কাস্টমসের ধরেই তাকালে দেখতে পাবেন এই হোটেলটি।

এই হোটেলে খাওয়ার একটাই শর্ত আপনাকে করতে হবে একটি ভালো কাজ। আর সেই কাজের কথা তথ্য প্রমান সহ জানাতে পারলেই মিলবে বিনামূল্যে খাবারের প্যাকেট। প্রতিদিন এই হোটেলে ২০০-২৫০ জন নিয়মিত খাবার খায়।

ভালো কাজ করেই মিলছে খাবার। ছবি: সংগৃহীত

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের পাশেই একটি দেয়াল নজর কাড়ছে যে কারো। সাদা দেয়ালে বড় করে লিখা ‘ভালো কাজের হোটেল’। এর নিচেই লেখা- ‘এখানে খেতে টাকা লাগবে না, যেকোনো একটি ভালো কাজ করলেই হবে’। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর একদল তরুণ ভালো কাজের প্রতি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে এমন উদ্যোগ নিয়েছেন।

রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের পাশেই সপ্তাহে পাঁচদিন খোলা থাকে এই হোটেল। পথচারী, রিকশাচালক, হকার থেকে শুরু বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষই এই হোটেলের কাষ্টমার। তবে এই হোটেলের খাবারের বিল মেটাতে হয় খাওয়ার আগেই! টাকা নয়, দিনের মধ্যে কী ভালো কাজ করেছেন তা বললেই হলো!

‘ডেইলি টেন’ নামের এক সংগঠনের সদস্যরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ‘তারুণ্যের ছোঁয়ায় বদলে যাবে বাংলাদেশ’ স্লোগানে গড়ে ওঠা এ সংগঠনে বর্তমানে ২৬৫ জন সদস্য রয়েছেন। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া। প্রতেকে দৈনিক ১০ টাকা করে জমা দেন, যা দিয়ে পেটপুরে খান ক্ষুধার্তরা। তবে মাঝেমধ্যে সদস্যদের ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান বা দাদা-দাদির, মা-বাবার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের খাবারও বিতরণ করা হয়।

ভালো কাজ করেই মিলছে খাবার। ছবি: সংগৃহীত

প্রতিদিন দুপুর হলেই ওই রাস্তার পাশে শত শত ক্ষুধার্ত মানুষের লাইন দেখা যায়। খাওয়ার আগে তাদের বলতে হয় কী ভালো কাজ করেছেন তারা। এর পর সারিবদ্ধভাবে বসিয়ে  ৪০জন করে ধাপে ধাপে খাওয়ানো হয় তাদের। প্রতিদিন এভাবেই ২ থেকে ৩শ’ মানুষকে খাওয়ানো হয়।

শাকিব হাসান শাওন ‘ডেইলি টেন’ এর সক্রিয় সদস্য। তিনি ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, প্রতিদিনই চেষ্টা করি ভালো কাজের হোটেল থেকে ভালো মানের কিছু খাবার পরিবেশন করার জন্য। যেমন আজকে খিচুড়ি, মুরগি ও ডিম দিয়েছি। প্রতি শনিবার আরো খাবার দেয়া হয়।

২৬৫ জন সদস্যের মধ্যে থেকে রুটিন ওয়ার্ক করে এই স্বেচ্ছাসেবীরা প্রতিদিন ৮-১০জন কাজ করেন। বাজার করা থেকে শুরু করে রান্না ও খাবার পরিবেশন—সবই কিছুই ‘ভালো কাজের হোটেল’ এর স্বেচ্ছাসেবকরা করে থাকেন।

ভালো কাজের তালিকা। ছবি: সংগৃহীত

ভালো কাজ করে খেতে এসেছেন তারা

মো. সাইদ দিনাজপুর থেকে ঢাকা এসেছেন কাজের সন্ধানে। বয়স ৫৫ হলেও এখনো কাজে টনক। প্রতিনিয়তই তিনি ভালো কাজ করার চেষ্টা করেন। খাবারের লাইনে দাঁড়াতেই তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, আজ কোনো ভালো কাজ করেছেন? জবাবে তিনি জানালেন, এক বৃদ্ধা লোককে রাস্তা পার করে দিয়েছেন। এই ভালো কাজের বিনিময়ে তিনি দুপুরে খাবার পাচ্ছেন।

দু’জন অন্ধ মানুষকে রাস্তা পার করে দিয়েছেন মো. জামাল। তার কথায়, ‘উনারা (স্বেচ্ছাসেবক) খাবারের বিনিময়ে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করছেন। তাই এখন চেষ্টা করি সারাদিনে ভালো কিছু কাজ করার। ’ ইমরান ও হাসান নামের দুই যুবক কোনো ভালো কাজ না করেই খেতে এসেছেন। কিন্তু নিয়মানুয়ী ভালো কাজ তো করতেই হবে! পরে স্বেচ্ছাসেবকরা পরামর্শ দিলেন. আজ যারা খেতে এসেছেন তাদেরকে পানি খাওয়াতে। এভাবেই প্রত্যেকে ভালো কাজের বিনিময়ে খাবারের মূল্য শোধ করছেন।

খারাপ কাজ থেকে ফিরিয়ে আনা অন্যতম ‍উদ্দেশ্য

‘ভালো কাজের হোটেল’ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শাহানুর রহমান আসিফ ডেইলি বাংলাদেশ’কে বলেন, দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা এই কার্যক্রম পরিচালনা করছি। প্রথমত, ক্ষুধামুক্ত সমাজ গঠন করা; দ্বিতীয়ত, ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করে খারাপ কাজ থেকে ফিরিয়ে আনা। ভালো ও খারাপ কাজ দু’টির পার্থক্য বুঝিয়ে দিতে পারলেই দেশকে এগিয়ে নেয়া যাবে।

খাবার নেয়ার আগে ভালো কাজের বর্ণনা দিচ্ছেন এক হকার। ছবি: সংগৃহীত

খাবার নেয়ার আগে ভালো কাজের বর্ণনা দিচ্ছেন এক হকার। ছবি: সংগৃহীত

তিনি আরো বলেন, এই কার্যক্রম আরো বৃহৎ আকারে করার পরিকল্পনা আছে আমাদের। এই মুহূর্তে সবচেয় বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে রোদ-বৃষ্টির মধ্যে খোলা জায়গায় তাদেরকে খাবার দেয়া। নির্দিষ্ট কোনো স্থান হলে যেকোনো আবহাওয়াই চিন্তামুক্তভাবে তাদেরকে খাবার দেয়া যেত।

২০০৯ সালে ‘ডেইলি টেন’ এর এই কার্যক্রম শুরু হয়। তবে তখন ব্যানারে তাদের কোনো নাম ছিল না। ২০১২ সালে ‘ভালো কাজের হোটেল’ নাম দিয়েছে তারা। বর্তমানে রবি থেকে বৃহস্পতিবার কমলাপুরে খাবার দেয়া হয়। বাকি দিনগুলো মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় খাবার খাওয়ানো হয়।

তাঁরা এলেন ভালো কাজের খবর নিয়ে

আগত অতিথিদের বেশভূষা কিছুটা জানান দিচ্ছিল তাঁদের সম্পর্কে। কথা বলে জানা গেল, কেউ কমলাপুর রেলস্টেশনের কুলি। আছেন রিকশাচালক। অসহায় পথচারী আর ভবঘুরে কেউ কেউ। তাঁদেরই একজন রিকশাচালক শহীদুল ইসলাম। যাত্রী এনেছিলেন কমলাপুরে। গন্তব্যে নামিয়ে যাচ্ছিলেন মুগদার দিকে। পথেই দেখেন খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে এসে জানলেন শর্তের কথা। সে শর্ত তিনি সকালেই পূরণ করেছেন। আগ্রহ নিয়ে জানালেন, এক যাত্রীকে কীভাবে বিনা ভাড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন গন্তব্যে। খাবারের প্যাকেট পেতেই শহীদুলের মুখে তৃপ্তির হাসি।

দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে দুই সপ্তাহ আগে ঢাকায় এসেছেন সবুজ আলী। ২৬ বছরের এই তরুণ কাজ করেন কারওয়ান বাজারে। টুকরি মাথায় মিন্তির কাজ করতে গিয়ে ঘাড়ে ব্যথা পেয়েছেন। দিন কয়েক হলো কাজ করতে পারছেন না। অভিমান করে ঘর ছেড়েছেন বলে বাড়িতে ফিরতেও পারছেন না। কয়েক দিন কাজ করে সঞ্চয় যা ছিল, তা–ও ফুরিয়ে গেছে। ফুটপাতে থাকার বন্দোবস্ত, কিন্তু তিন বেলা খাবার নিয়ে যত দুশ্চিন্তা তাঁর। তিন দিন ধরে দুপুরে খাচ্ছেন ভালো কাজের হোটেলে। সবুজ একজন দৃষ্টিহীন মানুষকে রাস্তা পার করতে সহায়তা করেছেন। এটি তাঁর দিনের ভালো কাজ।

হোটেল–বৃত্তান্ত

রাজধানীর একদল তরুণ ভালো কাজকে উৎসাহিত করতে খুলে বসেছেন ব্যতিক্রমী হোটেলটি। শনি থেকে বৃহস্পতিবার অসহায় মানুষকে অন্তত একটি ভালো কাজের বিনিময়ে খাবার দেন। শনিবারে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত চলে এ কার্যক্রমন। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে বেলা দেড়টা থেকে তিনটা পর্যন্ত। শুক্রবার তাঁরা খাবার নিয়ে ছোটেন রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও এতিমখানায়। মসজিদের সামনে আসা নিম্ন আয়ের মানুষদের হাতে যেমন খাবার তুলে দেন, তেমনি এতিমখানায় গিয়ে এতিমদের খাবারের প্যাকেট পৌঁছে দেন। এভাবে ২০০ থেকে ২৫০ জনকে খাওয়ান। সপ্তাহখানেক আগে শুরু হয়েছে হোটেলের কার্যক্রম। তবে উদ্যোগের শুরুটা গত ডিসেম্বরে, ‘ভালো কাজের বিনিময়ে আহার’ নামে যার শুরু হয়েছিল। সে উদ্যোগের মাধ্যমে সপ্তাহের কোনো একদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে খাওয়াতেন তরুণ এই স্বেচ্ছাকর্মীরা, করোনাকালে কর্মহীন মানুষদের কষ্ট দেখে যা হয়ে ওঠে নিয়মিত। সেই ধারাবাহিকতায় শুরু হয় ভালো কাজের হোটেল।

এই স্বেচ্ছাসেবকেরা ‘ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ’ নামের ফেসবুকভিত্তিক একটি সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত। স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রধান আরিফুর রহমান। তরুণ এই ব্যবসায়ী বলেন, ‘অসহায়, নিরন্ন মানুষদের জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। সেই সঙ্গে আমরা চাই ভালো কাজকে উৎসাহ দিতে, পথের এই মানুষেরাও যেন ভালো কাজ করেন।’

ইয়ুথ ফর বাংলাদেশের শুরুর দিকের একজন শিহানুর রহমান। পেশায় স্থপতি শিহানুর ফুরসত পেলেই ছুটে আসেন খাবার বিতরণে। তিনি বলছিলেন, ‘আমরা এই কার্যক্রম পরিচালনা করি “ডেইলি টেন মেম্বার”–এর মাধ্যমে।’

‘ডেইলি টেন মেম্বার’! খটকা লাগতেই বুঝিয়ে দিলেন শিহানুর। রোজ যারা সংগঠনের তহবিলে ১০ টাকা করে জমা দেন, তাঁরাই এই বিশেষ সদস্য। তাঁদের সংগঠনের ফেসবুক গ্রুপে কয়েক হাজার মানুষ যুক্ত থাকলেও রোজ ১০ টাকা দেন, এমন সদস্য আছেন ২৬৫ জন, যাঁদের সহায়তায় পরিচালিত হয় ‘ভালো কাজের বিনিময়ে আহার’।

ব্যয়ের হিসাবও জানালেন আরিফুর রহমান, চাঁদা থেকে মাসিক প্রায় ৮০ হাজার টাকা সংগৃহীত হয়। সে টাকায় ১২ কি ১৩ দিন খাওয়াতে পারেন তাঁরা। আবার সদস্যদের অনেকেই উদ্যোগী হয়ে খাবারের ব্যবস্থা করেন। সব মিলে ২০ দিনের মতো অসহায় মানুষদের খাবার সরবরাহ করতে পারেন। এ মাস থেকে চেষ্টা করছেন পুরো মাস খাওয়ানোর।

কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণকে অনুপ্রাণিত করেছিল অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো এক ব্যক্তির গল্প। সে অনুপ্রেরণায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে তরুণদল, ২০০৯ সালে যার শুরু। আরিফুর রহমান, আশিকুর রহমান, তামিম চৌধুরী, রাজীব সরকার, মো. মাহবুব, মো. সোহেল, মো. ফয়সালরা সেই সংকল্প এখনো লালন করেন। আরিফুর রহমান বলেন, ‘সে সময় আমরা এক অসহায় বাবার পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। মেয়ের চিকিৎসা করাতে মাত্র পাঁচ হাজার টাকার জন্য পথে পথে ঘুরছিলেন তিনি।’

এরপর কমলাপুর রেলস্টেশনের ছিন্নমূল শিশুদের পড়ানোর ব্যবস্থা করেন এই তরুণেরা। পথের শিশুদের স্কুলমুখী করতে ব্যবস্থা নেন খাবারের। সে–ও নিজেদের টাকায়। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়েছেন আরিফুর রহমানেরা। পেশাগত জীবনে একে একে ব্যস্ত হয়েছেন। কিন্তু ভালো কাজের প্রয়াসটা অটুট রয়ে গেছে।

২০১২ সালে সাংগঠনিক রূপ দিতে ফেসবুকে শুরু করেন ‘ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ’ নামের প্ল্যাটফর্ম। গ্রুপে যুক্ত হয়েছেন শাহিনুর রহমান, শাওন রহমান, মনিরুজ্জামানের মতো স্বেচ্ছাসেবকেরা। তাঁরাই এগিয়ে নিচ্ছেন কার্যক্রম। বন্যার্তদের পাশে ত্রাণ নিয়ে ছুটে যাওয়া, অসহায়দের জন্য চিকিৎসাসেবা, শীতার্তদের শীতবস্ত্র বিতরণসহ নানা সামাজিক কাজে যুক্ত আছেন এই তরুণেরা।

  • সাংবাদিক নিয়োগ : দৈনিক মুক্ত আলো

  • Application Form - আবেদন ফরমটি যথাযথভাবে পূরণ করে নিচের সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। আবেদন করার আগে নিচে দেওয়া তথ্য গুলি মনোযোগ সহকারে পড়ে নিন।০১৮২৯৪২৪৭৭১ বিকাশ পার্সোনাল, এই নাম্বারে তিনশত টাকা (আবেদন ফি অফেরত যোগ্য) সেন্ড মানি করে নিচে ট্রানজেকশন আইডি উল্লেখ করুন। (অন্যথায় আপনার আবেদন গৃহীত হবে না,তাই আবেদন করার আগে অবশ্যই সেন্ড মানি করে নিবেন)
  • নির্দেশনার টি ভালভাবে পড়ুন

    সাংবাদিক নিয়োগ : দৈনিক মুক্ত আলো জেলা-উপজেলা ও কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাংবাদিক/প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে।সারাদেশ থেকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান / নাতী-নাতনীদের ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রকৃত নাগরিকদের আবেদন করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হল – আগ্রহীরা আগামী (৩০/০৯/২০২০ইং) এর মধ্যে আবেদন জমা দিন জমা দিনঃ ০১৮২৯৪২৪৭৭১ বিকাশ পার্সোনাল, এই নাম্বারে তিনশত টাকা (আবেদন ফি অফেরত যোগ্য) সেন্ড মানি করে নিচে ট্রানজেকশন আইডি উল্লেখ করেন। (অন্যথায় আপনার আবেদন গৃহীত হবে না,তাই আবেদন করার আগে অবশ্যই সেন্ড মানি করে নিবেন) সবার আগে দেশ ও বিদেশের সব খবরের পিছনের খবর জানতে ও জানাতে দেশের প্রতিটি জেলায় সংবাদ প্রতিনিধি,থানা প্রতিনিধি, বিশেষ প্রতিনিধি,বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি,ব্যুরো চিফ,ও গুরুত্বপূর্ণ বিটে স্টাফ রিপোর্টার,এবং স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুরুষ/মহিলা সেচ্ছাসেবী শিক্ষানবিশ সাংবাদিক নিয়োগ করা হবে । প্রর্থীর যোগ্যতা: # শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে এইচ,এস,সি.অথবা সমমান হতে হবে। # প্রার্থীর নিজেস্ব ল্যাপটপ/ কম্পিউটার থাকলে ( অগ্রাধিকার দেওয়া হবে) # এম,এস,ওয়ার্ডে বাংলায় টাইপিং জানা থাকলে( অগ্রাধিকার দেওয়া হবে) # ক্যামেরা থাকালে( অগ্রাধিকার দেওয়া হবে) # কোন কপি রাইট সংবাদ প্রেরন করা যাবে না। # প্রেরিত সংবাদের সহিত সংবাদ সর্ম্পকিত ছবি/ভিডিও পাঠানোর চেষ্টা করতে হবে।#অভিজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। #প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতী-নাতনীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি আপলোড করুন। জাতীয় পরিচয় পত্রের ছবি আপলোড করুন। শিক্ষার্থীদের জন্য কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ডের ছবি আপলোড করুন। সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের ছবি আপলোড করুন। । অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে: অভিজ্ঞতা সনদের ছবি আপলোড করুন। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যের ক্ষেত্রে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সকল কাগজপত্র ছবি আপলোড করুন। নির্বাচিত সংবাদ কর্মীদেরকে যোগ্যতা অনুযায়ী বিশেষ প্রক্রিয়ায় সম্মানী প্রদান করবে । যোগাযোগ: Phone: 01829424771 E-mail: doinikmuktoalo.editor@gmail.com Facebook: https://www.facebook.com/doinikmuktoalo.bd
  • আবেদন ফরম - apply now

  •  

Share It
  • 24
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    24
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here