ভাষা আন্দোলনের ৬৮ বছরের অর্জন

Share It
  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    3
    Shares

১৯৪৮ সালে এই আন্দোলনের শুরু। ৫২ সালের রক্তাক্ত অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালির জয়যাত্রার সূচনা। এই সূচনাই প্রমাণ করে দেয় রক্ত ছাড়া পাকিস্তান রাষ্ট্রর সঙ্গে কোন বঞ্চনার ফয়সালা হবে না। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আসে বাঙালির বহুল আকাঙ্খিত স্বাধীনতা।

বাংলাদেশের ওপর থেকে দৃশ্যত‍ঃ নেমে যায় পাকিস্তান রাষ্ট্রের অপছায়া। কিন্তু বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় পাকিস্তানের দোসরদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সেই অপছায়া ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র হয়েছে বারবার। অনেক চড়াই-উতরাই আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মধ্য দিয়ে সেই ষড়যন্ত্র অনেকটাই ব্যর্থ করে দেয়া সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় দেড়যুগের ওপরে বিশ্বজুড়ে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের একুশে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তাদের দেখানো পথ ধরেই একাত্তরের ম‍ুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ।

ভাষা আন্দোলনের ৬৮ বছর আর স্ব‍াধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশের অর্জন অনেক। বাংলা ও বাংলাদেশের বিরোধিতাকারী শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে আমরা পার করেছি কয়েকটি নির্মল বসন্ত। আরেক বসন্তে আমাদের আরো এগিয়ে যাবার পালা। সেই পথচল‍ায় একুশের যে মূল চেতনা ‘মাথা নত না করা’, সে‌ই চেতনাকে ধারণ করে সবার উপরে যাকে তুলে ধরতে হবে তার নাম বাংলাদেশ। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ভাষায় আমরা বলতে চাই- ও মা তোমার চরণ দুটি বক্ষে আমার ধরি, আমার এই দেশেতে জন্ম যেন এই দেশেতে মরি…। মহান একুশেতে ভাষা শহীদসহ সকল ভাষা সংগ্রামীর প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা।


Share It
  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    3
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here