ভাড়াটিয়াদের কণ্ঠে যখন নিরুপায়ের আবেদন, তখনো নমনীয় নন বাড়িওয়ালারা

Share It
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রাজধানীর ভবনে ভবনে ঝুলছে টু-লেট। করোনা দুর্যোগে বাড়িভাড়া মেটাতে না পেরে শহর ছাড়ছেন অসহায় ভাড়াটিয়ারা। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে কঠিন সমস্যার মুখে পড়তে হবে বাড়িওয়ালাদেরও। বাড়িভাড়া সমন্বয়ের বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র।

রাজধানীর দেয়ালে দেয়ালে আগেও ছিল বাড়িভাড়ার বিজ্ঞপ্তি। তাতে ছিল এ শহরকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার যুদ্ধ। কিন্তু এবারের টু-লেটগুলো যেন জানান দিচ্ছে, ভাড়াটিয়াদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, অসহায়ত্ব আর বঞ্চনার প্রতিবাদ।

যেসব বাড়িতে সর্বোচ্চ একটি টু-লেট ছিল, এখন সেখানে ঝুলছে ৪ থেকে ৫টি টু-লেট।

ঢাকার অন্যতম আবাসিক এলাকা মোহাম্মদপুর ঘুরে এমন বাড়ি কমই পাওয়া গেছে, যেখানে নেই কমপক্ষে দুই থেকে তিনটি টু-লেট। একই চিত্র ধানমন্ডি, মিরপুরসহ অন্য এলাকাগুলোতেও।

ভাড়াটিয়াদের কণ্ঠে যখন নিরুপায়ের আবেদন। তখনো নমনীয় নন, এ শহরের বাড়িওয়ালারা।

টু-লেট তৈরিতে ব্যস্ততা বেড়েছে দোকানিদেরও। চলছে হরদমে ঘষামাজার কাজ। মেসে সিট ভাগাভাগি করে থাকা শিক্ষার্থীরাও বিমুখ এখন রাজধানীর প্রতি।

এ জিম্মিদশা থেকে ভাড়াটিয়াদের উদ্ধার করতে এখনই কঠোর পদক্ষেপের তাগিদ দিচ্ছেন বাড়িভাড়া নিয়ে রিটকারী আইনজীবী।

বাড়িভাড়া নিয়ে রিটকারী আইনজীবী অ্যাড. মনজিল মোরশেদ বলেন, অসাধু বাড়ির মালিক যারা আছেন, তারা ভাড়াটিয়াদের হয়রানি করছেন, এখন তাদের বোঝা উচিত সবাই চলে যাচ্ছে।

ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র বলছেন, ভাবা হচ্ছে নতুন করে ভাড়া নির্ধারণের বিষয়টি।

ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, যিনি ভাড়া নিচ্ছেন সেটার ওপর তার জীবন চলছে আবার ভাড়াটিয়ার চাকরি না থাকলে সে ভাড়া কীভাবে দেবে।


Share It
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here