মাদারীপুরে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের নিজস্ব অর্থায়নে ২০০১ সালে হতদরিদ্রদের জন্য নির্মাণ করা হয় কয়েকশ’ বসতঘর। বছরের পর বছর চলে গেলেও ঘরগুলো মেরামত করা হয়নি। দরজা-জানালা না থাকায় একদিকে রয়েছে চুরির আতঙ্ক, অন্যদিকে ঝড়বৃষ্টিতে বাড়ছে প্রাণহানির শঙ্কা। দিনমজুর এসব মানুষজন সংস্কারের জন্য বারবার আবেদন জানালেও পাচ্ছেন না কোনও প্রতিকার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একাধিকবার বরাদ্দ চাওয়া হলেও পাওয়া যায়নি।

মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা জাহানারা বেগম। ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে নির্মাণ করা একটি ঘরে সন্তান আর বৃদ্ধ স্বামী নিয়ে বসবাস তার। ১৯ বছরেও টিনশেড ঘরটি মেরামত না করায় ঝড়বৃষ্টি এলে আতঙ্ক বাড়ে পরিবারের সবার।

জাহানারা বেগম বলেন, আমাদের ঘরে নেই কোনও জানালা। বৃষ্টি হলেই পাই পড়তে তাকে।

শুধু জাহানারা বেগমই নন। তার মতো এক হাজার ৫০০ মানুষ বসবাস করেন জেলার সবচেয়ে বড় এই গুচ্ছগ্রামে। এখানকার ৩১২টি ঘরেরই করুণ অবস্থা। এমন পরিস্থিতিতে সরকারিভাবে দ্রুত প্রতিকার চান ভুক্তভোগীরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আর্থিক বরাদ্দ চাওয়া হলেও তা পাওয়া যায়নি।

উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান বলেন, অধিকাংশ ঘরই মেয়ামত করতে হবে। ৪ মাস আগে প্রস্তাব দিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, দু-তিনবার এস্টিমেট করে পাঠিয়েছিলাম প্রকল্প বরাবর। কিন্তু ফলাফল আসেনি।

মাদারীপুর সদর উপজেলায় ৪টি গুচ্ছগ্রাম ও ৬টি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৫ শতাধিক বসতঘরে বসবাস করেন আড়াই হাজারের বেশি হতদ্ররিদ মানুষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here