মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর স্ত্রীর মৃত্যুতে “বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদের” শোক

Share It
  • 413
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    413
    Shares

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর স্ত্রীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদের শোক মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের স্ত্রী লায়লা আরজুমান্দ বানু’র মৃত্যুতে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদ ন্যাশনাল কমান্ড কাউন্সিল কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।

তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। “বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদ” পক্ষে (ন্যাশনাল কমান্ড কাউন্সিল কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের) চেয়ারম্যান, বীর- মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোহাম্মদ শওকত ওসমান-্‌ ,নৌ কমান্ডো বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী অনীল বরণ রায়-(সিনিয়র বিকল্প চেয়ারম্যান) ,বীরকন্যা- সেলিনা আখতার- ( মহাসচিব ) ,বীরপুত্র- শহিদুজ্জামান জোয়ারদার-( বিকল্প মহাসচিব ) ,বীরপুত্র- সাঈফ আল্ ইমরান দ্রোহী- ( নির্বাহী চেয়ারম্যান ) বীরপুত্র- মোঃ হুমায়ূন কবীর (হিমু মাইন)- ( নির্বাহী মহাসচিব ) ,বীরপুত্র- মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম গাজী- (নির্বাহী সাংগঠনিক সচিব) এই শোকবার্তা দিয়েছেন।

(নির্বাহী সাংগঠনিক সচিব) বীরপুত্র- মো: আশরাফুল ইসলাম (গাজী) আজ এক শোক বার্তায় লায়লা আরজুমান্দ বানু’র বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য: সোমবার (২৯ জুন) আনুমানিক সকাল পৌনে আটটায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ১৩ জুন মন্ত্রী এবং মন্ত্রীর স্ত্রী লায়লা আরজুমান্দ বানু সিএমএইচে ভর্তি হন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে এলেও লায়লা আরজুমান্দ বানুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তিনি সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

১৯৪৯ সালের ৬ জানুয়ারি লায়লা আরজুমান্দ বানু গাজীপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম শেখ মোবারক জান এবং মাতার নাম লাল বানু। ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ লায়লা আরজুমান্দ বানু ১৯৭৪ সালের ১৬ এপ্রিল আ ক ম মোজাম্মেল হকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

লায়লা আরজুমান্দ বানু দুই মেয়ে, এক ছেলে এবং ছয়জন নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

সোমবার বাদ আসর গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন কেন্দ্রীয় কবরস্থান সংলগ্ন মাঠে লায়লা আরজুমান্দ বানুর নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

 


Share It
  • 413
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    413
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here