মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদের ওয়ার্কিং কংগ্রেস ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

Share It
  • 204
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    204
    Shares

হুমায়ুন কবীর হিমু মাইন ও আশরাফুল ইসলাম (গাজী’র) সঞ্চালনায়, গতকাল শুক্রবার দুপুর ০২টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে এ ওয়র্কিং কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ওয়র্কিং কংগ্রেসের সভাপতিত্ব করেন -বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মুহাম্মদ শওকত ওসমান (চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদ -ন্যাশনাল কমান্ড কাউন্সিল) এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন -বীরমুক্তিযোদ্ধা নাজিমউদ্দিন আহমেদ (গেরিলা) , -বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম ফকির (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শিবগঞ্জ) এতে দেশ বরন্য মুক্তিযোদ্ধা ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ সহ সারাদেশ থেকে সংগঠনের নেতা কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন ।

দুপুর ০২টায় প্রেসক্লাব চত্বরে জমায়েত হয়ে বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতে ধর্ষণ বলাৎকার্দু‌, দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি ,দেশব্যাপী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের নির্যাতন, নৈরাজ্য অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা ,মুজিব কোট ও প্রধানমন্ত্রীর অবমাননার প্রতিবাদে সমাবেশ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন ।মিছিলটি প্রেসক্লাব চত্বর থেকে মৎস্যভবন হয়ে পুনরায় প্রেসক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় আব্দুস সালাম মিলনে সাংগঠনিক আলোচনাসহ ওয়র্কিং কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

শুরুতে দাঁড়িয়ে সম্মিলিতভাবে জাতীয় সংগীত পাঠ শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী সকল শহীদদের প্রতি এক মিনিট নীরবতা পালন করেন তারা । পরে উপস্থিত অতিথি মুক্তিযোদ্ধাদের লাল-সবুজের উত্তরীয় পরিয়ে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সেলুট প্রদান করে সম্মানিত করা হয়

সভাপতির বক্তব্যে -বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মুহাম্মদ শওকত ওসমান (চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদ ন্যাশনাল কমান্ড কাউন্সিল) তিনি বলেনঃ বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের মাধ্যমেই জন আকাঙ্খার মানবিক কল্যাণরাষ্ট্র দৃশ্যমান হবে। গুটিকয়েক আদর্শচ্যুত পথভ্রষ্ট ব্যতীত, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যবর্গ মুজিবাদর্শে বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে পরীক্ষিত যোদ্ধা। ১৯৭৫ এ বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধাগণ স্বশস্ত্র প্রতিরাধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য-দক্ষ নেতৃত্বে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছুতে, গণমুক্তির সংগ্রাম অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে, “বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদ” ন্যাশনাল কমান্ড কাউন্সিল এগিয়ে যাচ্ছে ।এসময় তিনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদের ৭দফা দাবি উপস্থাপন করেনঃ

সাত দফা দাবি সমূহ

  1. স্বাধীনতাযোদ্ধা ও স্বাধীনতা যুদ্ধের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিন। পতাকা-মানচিত্র নির্মাতাদের বিশেষ শ্রেণীর নাগরিক ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন চাই।
  2. বঙ্গবন্ধুর আদর্শ স্বাধীনতার ইশতেহার ৭২ এর সংবিধান অনুসারে অসম্প্রদায়িক মানব কল্যাণ রাষ্ট্র চাই।
  3. বিশেষ কমিশনের মাধ্যমে স্বাধীনতাযোদ্ধা , মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের যোগ্যতা অনুসারে কর্মসংস্থান এবং মর্যাদাকর পূর্ণবাসন চাই ।
  4. কৃষক-শ্রমিক , রিক্সা-ভ্যান ,সিএনজি চালক ,পরিবহন চালক ,গার্মেন্টসকর্মী ,জেলে-তাঁতী ,বস্তিবাসী সহ ৯০% আমজনতার জন্য সরকারি চাকরির ৮০% সংরক্ষণ বিধান রেখে আইন চাই।
  5. স্বাধীনতা বিরোধীদের তালিকা প্রণয়নে করে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক রাজনীতি সরকারি চাকরি ব্যবসা বাণিজ্য নিষিদ্ধ এবং তাদের অতিরিক্ত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে ।
  6. বঙ্গবন্ধুর প্রণীত স্বাধীনতাযোদ্ধার ৭২ এর সংজ্ঞা অনুযায়ী সশস্ত্র স্বাধীনতাযোদ্ধা ও স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগী দ্বিতীয় শ্রেণীতে বিন্যাস স্থায়ী চূড়ান্ত তালিকা চাই ।
  7. বিশেষায়িত স্বাধীনতাযোদ্ধা হাসপাতাল ,মেডিকেল কলেজ ,বিশ্ববিদ্যালয় ,ক্যাডেট কলেজ , মেরিন একাডেমি , কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ,কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠা করতে হবে ।নিরাপত্তা বাহিনীতে নির্মাতাদের রক্তধারা দিয়ে বঙ্গবন্ধু ,স্বাধীনতা-বিজয়-বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ স্বাধীনতাযোদ্ধার নামে রয়েল ব্যাটালিয়ন চাই।

Share It
  • 204
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    204
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here