মৃত্যুর আগে সন্তানের কবরের যথাযথ সংরক্ষণ চান মা

Share It
  • 14
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    14
    Shares

পাকিস্তানি সেনারা ঢুকে পড়েছে এলাকায়। চালাচ্ছে নির্যাতন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তরুণী মোছলেমা খাতুনকেও ধরতে ধাওয়া করে হানাদার বাহিনী। উপায়ন্তর না দেখে কোলের ১০ মাস বয়সী মেয়ে রুমাকে নিয়ে ঝাঁপ দেন কচুরিপানা ভর্তি ডোবায়। দুপুর ৩টা থেকে সন্ধ্যা নাগাদ এভাবেই থাকতে হয়। সেনার চলে যাওয়ার খবরে পাড়ে ডোবা থেকে ওঠার পর বুঝতে পারেন রুমা বেঁচে নেই। প্রায় ৯০ বছর বয়সি মোসলেমা খাতুন এখনও সেই কথা মনে করে কাঁদেন। চোখ বুজলেই ভেসে ওঠে ১০ মাস বয়সী সেই সন্তানের মুখ। মোছলেমা খাতুনের কথা, ‘পদক, পদবি বা অর্থ চাই না। মৃত্যুর আগে সন্তানের কবরের সংরক্ষণ দেখে যেতে চাই। আর এটা দেখে যেতে পারলে শান্তিতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করতে পারবো।’

মোছলেমা খাতুনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের গাববাড়ি গ্রামে। বাড়ির পাশেই সন্তানের কবর। ১৯৭১ সালের ২৯ জুনের ওই ঘটনার পর সন্তানের কবরের সামনে যাওয়া একটা সময় রুটিনে পরিণত হয়েছিল তার। এখন বয়সের ভারে আর পেরে ওঠেন না। মেয়ের কবর সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে ছেলে কবির আহমেদ ভূঁইয়াকে দিয়ে ৯ সেপ্টেম্বর কসবা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে একটি লিখিত আবেদন পাঠিয়েছেন তিনি।

কসবা উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা সিদ্দিকী মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মোছলেমা খাতুনের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি রুমার কবর ও যেখানে মারা যান সেই স্থান ঘুরে দেখেন। এসময় তিনি জানান, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার ওই ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। হয়তো বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। কবর সংরক্ষণের বিষয়ে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবো।

মেয়ের কবর দেখিয়ে দিচ্ছেন মাকবির আহমেদ বলেন, ‘আম্মা আমাদেরকে সেদিনের কথা শুনাতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর ভয়ে তিনি ডোবায় ছোট সন্তানকে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন। চারিদিকে তখন গুলির শব্দ, ছোটাছুটি। গলা পর্যন্ত ডুবে ছিলেন আম্মা। তখনও কোলে আমার বোন। কিন্তু কী হতে যাচ্ছে সেদিকে আম্মার খেয়াল ছিল না। কয়েক ঘণ্টা পর ডোবা থেকে ওঠার পর দেখেন সন্তান মারা গেছে। শেষ বয়সে মায়ের একটাই আবদার যেন মেয়ের কবরটাকে সংস্কার করে সংরক্ষণ করা হয়। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কিছুদিনের মধ্যেই এসে কবরের জায়গাটি দেখে যাবেন বলে জানিয়েছেন।’

মুক্তিযোদ্ধা সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘সেদিনের ঘটনাটি ছিল খুবই মর্মান্তিক। ধামসার এলাকার রমিজ উদ্দিনের বাড়ির পাশের একটি দিঘির পাড়ের কাছের ডোবায় সন্তানকে নিয়ে লুকিয়ে ছিলেন মোছলেমা খাতুন। মোছলেমা স্বামী জোহর আলী ভূঁইয়া, রমিজ উদ্দিন, উলফত আলী, ফরিদ উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন মিলে শাড়ি কাপড় পেঁচিয়ে শিশুর লাশ দাফন করেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি চাই শিশুর কবরটি সংরক্ষণ করা হোক।’

  • সাংবাদিক নিয়োগ : দৈনিক মুক্ত আলো

  • Application Form - আবেদন ফরমটি যথাযথভাবে পূরণ করে নিচের সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। আবেদন করার আগে নিচে দেওয়া তথ্য গুলি মনোযোগ সহকারে পড়ে নিন।০১৮২৯৪২৪৭৭১ বিকাশ পার্সোনাল, এই নাম্বারে তিনশত টাকা (আবেদন ফি অফেরত যোগ্য) সেন্ড মানি করে নিচে ট্রানজেকশন আইডি উল্লেখ করুন। (অন্যথায় আপনার আবেদন গৃহীত হবে না,তাই আবেদন করার আগে অবশ্যই সেন্ড মানি করে নিবেন)
  • নির্দেশনার টি ভালভাবে পড়ুন

    সাংবাদিক নিয়োগ : দৈনিক মুক্ত আলো জেলা-উপজেলা ও কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাংবাদিক/প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে।সারাদেশ থেকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান / নাতী-নাতনীদের ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রকৃত নাগরিকদের আবেদন করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হল – আগ্রহীরা আগামী (৩০/০৯/২০২০ইং) এর মধ্যে আবেদন জমা দিন জমা দিনঃ ০১৮২৯৪২৪৭৭১ বিকাশ পার্সোনাল, এই নাম্বারে তিনশত টাকা (আবেদন ফি অফেরত যোগ্য) সেন্ড মানি করে নিচে ট্রানজেকশন আইডি উল্লেখ করেন। (অন্যথায় আপনার আবেদন গৃহীত হবে না,তাই আবেদন করার আগে অবশ্যই সেন্ড মানি করে নিবেন) সবার আগে দেশ ও বিদেশের সব খবরের পিছনের খবর জানতে ও জানাতে দেশের প্রতিটি জেলায় সংবাদ প্রতিনিধি,থানা প্রতিনিধি, বিশেষ প্রতিনিধি,বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি,ব্যুরো চিফ,ও গুরুত্বপূর্ণ বিটে স্টাফ রিপোর্টার,এবং স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুরুষ/মহিলা সেচ্ছাসেবী শিক্ষানবিশ সাংবাদিক নিয়োগ করা হবে । প্রর্থীর যোগ্যতা: # শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে এইচ,এস,সি.অথবা সমমান হতে হবে। # প্রার্থীর নিজেস্ব ল্যাপটপ/ কম্পিউটার থাকলে ( অগ্রাধিকার দেওয়া হবে) # এম,এস,ওয়ার্ডে বাংলায় টাইপিং জানা থাকলে( অগ্রাধিকার দেওয়া হবে) # ক্যামেরা থাকালে( অগ্রাধিকার দেওয়া হবে) # কোন কপি রাইট সংবাদ প্রেরন করা যাবে না। # প্রেরিত সংবাদের সহিত সংবাদ সর্ম্পকিত ছবি/ভিডিও পাঠানোর চেষ্টা করতে হবে।#অভিজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। #প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতী-নাতনীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি আপলোড করুন। জাতীয় পরিচয় পত্রের ছবি আপলোড করুন। শিক্ষার্থীদের জন্য কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ডের ছবি আপলোড করুন। সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের ছবি আপলোড করুন। । অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে: অভিজ্ঞতা সনদের ছবি আপলোড করুন। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যের ক্ষেত্রে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সকল কাগজপত্র ছবি আপলোড করুন। নির্বাচিত সংবাদ কর্মীদেরকে যোগ্যতা অনুযায়ী বিশেষ প্রক্রিয়ায় সম্মানী প্রদান করবে । যোগাযোগ: Phone: 01829424771 E-mail: doinikmuktoalo.editor@gmail.com Facebook: https://www.facebook.com/doinikmuktoalo.bd
  • আবেদন ফরম - apply now

  •  

Share It
  • 14
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    14
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here