লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি বলে জানিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটি। জুয়েলকে হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এ কথা বলে কমিশন।

এদিকে দায়ের হওয়া তিনটি মামলা ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার গ্রেফতার হওয়া আসামিদের আদালতে তোলার কথা রয়েছে।

লালমনিরহাটের পাঠগ্রামের বুড়িমারীতে গুজব ছড়িয়ে বৃহস্পতিবার যুবক আবু ইউসুফ জুয়েলকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে মারা হয়। এর তিন দিন পর রোববার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের গঠিত তিন সদস্যের কমিটি।

এ সময় তারা বুড়িমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের কমিটি-ইমাম, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেন। একই সঙ্গে বিভিন্নজনের সাক্ষ্য নেন।

এ বিষয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক আল মাহমুদ ফাইজুল কবীর বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা যে কয়টি সাক্ষ্য নিয়েছি, তাতে বলতে পারি, এখানে কোরআনের কোনও অবমাননা হয়নি, কোরআনে কেউ পা দেয়নি বা ছেঁড়েনি।

এ ঘটনায় দায়ের হওয়া তিনটি মামলা রোববার সকালে ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা বলেন, আমরা দেখছি কারা এর সঙ্গে জড়িত। জড়িত সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে, কাউকে ছাড় দেয়া হবে
না।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, নিহত জুয়েল ধার্মিক প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। নিয়মিত মসজিদে নামাজ আদায় করতেন জুয়েল। পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here