হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি”কে নিয়ে সাংবাদিকের লেখাটি ফেইসবুকে ভাইরাল

Share It
  • 131
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    131
    Shares

রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস। সাংবাদিক মনছুর রহমান বাবু”র লেখা পরিচ্ছন্ন, সহনশীল ও সৃষ্টিশীল রাজনীতি চর্চায় হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি কে নিয়ে লেখা টি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় যোগাযোগ গণমাধ্যম ফেইসবুকে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।
সাংবাদিক মনছুর রহমান বাবু মাননীয় হুইপ স্বপন এমপি কে নিয়ে যে বিষয় গুলো লিখেছেন এবং শিরোনামে যা উল্লেখ করেছেন তা নিম্নে উল্লেখিত।
পরিচ্ছন্ন, সহনশীল ও সৃষ্টিশীল রাজনীতি চর্চায় হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি।
রাজনীতিতে ইদানিং জনগনের প্রত্যাশিত ও জনহিতকর রাজনীতিকদের বড়ই অভাব। দূর্বৃতায়ন ও ও দূর্নীতি ঢুকে পড়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।আজকাল রাজনৈতিক ডামাডোল পেটাচ্ছেন ব্যবসায়ী ও পেশাজীবি মানুষেরা।রাজনীতির চর্চা করতে করতে রাজনীতিবীদ হওয়া এখন সত্যিই নজিরবিহীন।বর্তমান সময়ে রাজনীতিতে এসে রাজনীতিবীদ হয়ে রাজনীতির চর্চার রেওয়াজ শুরু হয়েছে। আর এই কারনে রাজনীতিবীদদের ক্যাডার ভিত্তিক রাজনীতির উপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে। দেশে তৈরি হয়েছে নয়ন বন্ড ০০৭ / শাহেদ/ পাপিয়া  / জিকে শামীম/ সম্রাটদের  মত বাহিনীর।
আমি কোন রাজনীতিকের চরিত্র হরন করতে চাই না। সে ধরনের অভিপ্রায় বা যোগ্যতা আমার নাই। শুধু এটুকুই বলতে চাই –
পরিচ্ছন্ন,  সহনশীল ও সৃষ্টিশীল রাজনীতির জন্য রাজনৈতিক কৃষ্টি কালচার, আদর্শ ও চেতনা বুকে ধারন ও লালন করতে হবে। একজন শিশু যেমন ভূমিষ্ঠ হবার পর বাবা মা ও পারিপার্শ্বিকতায় পরম মমতায় তিলে তিলে  দৈহিক ও মানসিকভাবে বেড়ে ওঠে। ঠিক তেমনই রাজনীতির চর্চাটাও। শিক্ষা জিবন থেকে, জীবন গঠনের জন্য প্রস্তুতির পাশাপাশি রাজনীতির চর্চার মাধ্যমে বেড়ে  ওঠা একজন মানুষ বড় হওয়ার পাশাপাশি তিনি চেতনা সমৃদ্ধ রাজনীতিবীদ হিসেবে ও গড়ে ওঠেন।রাজনীতি এমন কোন বিদ্যা নয় যে সেটা রপ্ত করার জন্য কোন টাইমফ্রেম বা সিলেবাস আছে।
 রাজনীতিতে- রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে পরিপক্ব রাজনীতিবীদদের অনুপ্রবেশ যতবেশি ঘটানো যাবে ততই রাজনীতি জনক্যালকর হবে। আমরা সেরকম অনেক বর্ষিয়ান রাজনীতিকদের নাম জানি। বয়সের ভারে আজ তাঁরা রাজনীতিতে দাপুটে না হলেও নেপথ্য থেকে সহযোগিতা করছেন নিঃস্বার্থভাবে। কিন্তু তরুনদের মধ্যে রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে বেড়ে ওঠা চেতনাসমৃদ্ধ রাজনীতিবীদদের শতকরা হিসেব কত? মাত্র হাতে গোনা কয়েকজনের নাম আমরা জানি।
তাঁদের মধ্যে উজ্জ্বলতর যে নাম আমাদের মনে উঁকি দেয় তিনি হলেন জাতীয় সংসদের হুইপ, জয়পুরহাট ০২ আসনের এমপি( কালাই, ক্ষেতলাল, আক্কেলপুর) আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। সহনশীল ও সৃষ্টিশীল চেতনাসমৃদ্ধ রাজনীতিবীদ হিসেবে এমপি স্বপন সত্যিই অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের কাছে অনুসরনীয় রাজনীতিবীদ বটে।জনগন তাঁর ক্ষমতার উৎস।  জনগনের আস্থা, বিশ্বাস  ও ভালবাসা তাঁর সফলতার মুল চালিকাশক্তি। রাজনীতি করতে গেলে হোমড়া চোমরা ক্যাডার বাহিনী পুষতে হয় এমন হিসেব তাঁর নেই। তিনি ছোটবেলা থেকে জীবন গড়ার বিদ্যা রপ্তের পাশাপাশি রাজনৈতিক সচেতনতা ও পরবর্তীতে তিল তিল করে প্রত্যক্ষ রাজনীতির চর্চার মাধ্যমে নিজের ভিতরের মনুষ্যত্ববোধ ও রাজনৈতিক চেতনাকে শান দিয়েছেন। সমৃদ্ধ করেছেন রাজনৈতিক চেতনা।
রাজনৈতিক কৃষ্টি কালচার ও আদর্শ বুকে ধারন ও লালন করেছেন সুদীর্ঘ অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে। তাই তো তিনি বলেন -” আমার রাজনীতি মানুষের কল্যানের জন্য। আমার রাজনীতির কারনে মানুষের অকল্যান হলে সেদিন যেন আমার অপমৃত্যু হয়।” এমন করে কজন নেতা বলতে পারেন। তিনি তৃনমুল মানুষদের উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্তকরনের কাজ করছেন। তাদের দেশপ্রেমের চেতনাকে শান দিচ্ছেন। দেশপ্রেমিক মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে সচেতনতামুলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।শুধু তাই নয়- সৃষ্টিশীল রাজনীতি উপহার দেওয়ার জন্য তিনি তৃনমুল দলীয় নেতাকর্মীদের চেতনাসমৃদ্ধ করতে বিভিন্ন কর্মসুচী দিয়ে যাচ্ছেন। নিজের জবাবদিহি, স্বচ্ছতা সাথে সাথে দলীয় নেতাকর্মীদের ও জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি তাঁর এলাকার প্রতিটি ইউনিয়নে জনতার মুখোমুখি হয়েছেন।সুশাসন নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন। আমজনতাকে নির্ভয়ে তাঁর নিজের সম্পর্কে অথবা দলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানি, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য সাহস দিয়েছেন, উদ্বুদ্ধ করেছেন।  ফলে তৃনমুল থেকে উঠে এসেছে নানান অভিযোগ ও পরামর্শ। ফলে একদিকে তিনি নিজেকে জনগনের চাহিদা মত  তৈরি করেছেন।  অন্যদিকে তৃনমুল নেতাকর্মীদের শাসন ও সতর্ক করে তাদের জনকল্যানমুখী করতে আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এভাবে তিনি সৃষ্টিশীল ও চেতনাসমৃদ্ধ রাজনীতিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্টিত করেছেন। অন্যদিকে সৃষ্টিশীল ও চেতনাসমৃদ্ধ কল্যানমুখী রাজনীতি উপহার দেওয়ার জন্য একটা দুর্দান্ত টিম গঠনে নিরলশ প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি রাজনীতিকে জনকল্যানমুখী করার জন্য নিজেকে ১০০ ভাগ দুর্নীতিমুক্ত রেখেছেন।জনগনের আস্থা ও ভালবাসা অর্জনের জন্য তিনি প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামে গ্রামে বাড়ি বাড়ি পা রেখেছেন।আবাল বৃদ্ধা বনিতা সবার সাথে প্রানখুলে কথা বলেছেন, সালাম দিয়েছেন,  বুকে জড়িয়ে ধরেছেন। সমস্যা ও পরামর্শ শুনেছেন। সেই অনুযায়ী সমাধান ও উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করছেন। আজ অজপাড়াগায়ের একজন দিনমজুর অথবা ভ্যানচালক অত্যুন্ত আস্থার সাথে এমপি স্বপনকে ফোন দিতে কুন্ঠাবোধ করেন না।  বরং পরম মমতা ও স্বাচ্ছন্দ্যে এ কাজটি করেন আমজনতা। ফলে আমজনতার সাথে তাঁর আত্মার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।সৃষ্টিশীল,চেতনাসমৃদ্ধ, কল্যানময়ী রাজনীতি সম্ভবত আমরা তাঁর রাজনীতিকে বলতে পারি।
তিনি একদিকে সাধারন মানুষের প্রতি বা সাধারন ভিন্ন মতাবলম্বী রাজনৈতিক সমর্থকদের প্রতি সহনশীল অন্যদিকে দূর্বৃতায়ন, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও লুটেরাদের প্রতি অতিই কঠোর। তিনি অহংকারের সাথে বলেন -” আমি যখন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলাম তখন দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য ও দলের জন্য কাজ করেছি। আজ আমি এলাকার এমপি।অতএব দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের এমপি আমি।সর্বস্তরের মানুষের কল্যানের জন্যই আমাকে কাজ করতে হবে। কে কোন দল বা মতে বিশ্বাসী সেটা বিবেচনা করা আমার পক্ষে সমীচীন নয়।সবাই আমার বন্ধু। আমি সবাই কে ভালবেসে ও সবার কল্যানের জন্য কাজ করতে চাই। “
তিনি বিরোধী পক্ষের সমালোচনা সানন্দ চিত্তে মেনে নেন এবং ভুল ভ্রান্তি সংশোধন করে নিজেকে সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য রাজনীতিক হিসেবে সুপ্রতিষ্টিত করেছেন। পথসভায়,জনসভায় বা জনতার মুখোমুখি হয়ে তিনি বিরোধী মতাদর্শের সাধারন মানুষের সমালোচনা প্রানভরে শোনেন। তাঁর এই সহনশীলতায় তারা রীতিমত মুগ্ধ হন।ভোট না দেওয়ার জন্য  বা ভোটের সময় চরম বিরোধিতার জন্য প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে তিনি কাউকে হয়রানি করেন না। এমনকি বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে বিরোধী কাউকে হেনস্তা করার ইতিহাস তাঁর নেই। রাজনীতিতে এমন শিষ্টাচার ও সহনশীলতার কারনে বিরোধী দলের সাধারন মানুষ ও তাঁর কাছে ন্যায্য দাবী নিয়ে যেতে ভয় তো পায় না বরং রীতিমত স্বাচ্ছন্দবোধ করেন।
 দেশের রাজনীতিতে পরিচ্ছন্ন, সহনশীল ও সৃষ্টিশীল রাজনীতির চর্চা একেবারেই খুব বেশি নয়।আগামীর সমৃদ্ধির উন্নত বাংলাদেশের জন্য পরিচ্ছন্ন রাজনীতি,  রাজনৈতিক শিষ্টাচার, ও সহনশীল রাজনীতির চর্চা অতি আবশ্যক।কেননা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা,  বিনিয়োগের যথার্থ পরিবেশ সৃষ্টি ,  উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য পরিচ্ছন্ন, সহনশীল, সৃজনশীল রাজনীতি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ প্রতিষ্টার পুর্বশর্ত ও মৌলিক বিষয় সন্দেহ নেই। সেক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের হুইপ ও জয়পুহাট ০২ আসনের এমপি আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এক রোল মডেল, দৃষ্টান্ত ও অনুসরনীয় রাজনীতিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্টিত করেছেন। সারা বাংলাদেশে তাঁর মত পরিচ্ছন্ন, সহনশীল, সৃজনশীল ও প্রঙ্গাবান রাজনীতিক ব্যাক্তিত্ব গড়ে উঠুক সোনার বাংলা গড়তে। আমরা তাঁর বর্নাঢ়্য রাজনৈতিক জীবনের সফলতা কামনা করি।

Share It
  • 131
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    131
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here