শনিবার (৩১ অক্টোবর) মাঝনদীতে ৮ ও ৯ নম্বর পিলারের উপর ৩৫তম স্প্যান যোগ করার মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো ৫ হাজার ২৫০মিটার পদ্মা সেতু। সেতুর বাকি থাকলো আর ১ কিলোমিটারেরও কম। সব পিলার ও স্প্যান প্রস্তুত থাকায় এখন দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্প্যান যোগ করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক। ডিসেম্বরের মধ্যে ৬ দশমিক এক পাঁচ কিলোমিটারের পুরো সেতু দাঁড়ানোর আশা।

স্প্যান ওঠার দিনগুলোতে মোহাম্মদ জাকিরের মতো অনেকে পদ্মার পাড়ে ভিড় করেন, সকাল থেকে অপেক্ষা করেন। কারণ এ সেতুর পিছনে তার বসতবাড়ি গেছে, এ নদীতে তিনি মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাই পদ্মা সেতুটা তার কাছে অনেক কিছু।

যে স্প্যান ওঠা দেখতে তার আসা, মাওয়ার ইয়ার্ড থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় সেটি নিয়ে রওয়ানা দেয় ভাসমান ক্রেন। নদীতে হঠাৎ পানির উচ্চতা কমে যাওয়ায় আগের দিন শুক্রবারে বসানোর পরিকল্পনা থাকলেও সম্ভব হয় নি। তবে যে পথ দিয়ে ক্রেনটি মাঝনদীতে নিয়ে যাওয়া হবে, সে পথে ড্রেজিং করে বালি সরিয়ে রাখায় দ্রুতগতিতেই এগিয়ে যায় গন্তব্যের দিকে।

ঘণ্টাখানেকের মধ্যে পিলারের কাছ নিয়ে যাওয়া গেলেও আবারও বাধ সাধে পিলারের গোড়ায় জমে থাকা পলি। আরও ৪ ঘণ্টা পর ক্রেনটি নোঙ্গর করা শেষে সামনের দিকে এগিয়ে এনে বসিয়ে দেয়া হয় ৮ ও ৯ নম্বর পিলারের উপর। সর্বনিম্ন ৬ দিনে আগের স্প্যানটি বসানোর পর এটিও বসলো একই সময়ে।

মাওয়া প্রান্তে এখন দৃশ্যমান প্রায় ১ কিলোমিটার সেতু। আর ৪ টি স্প্যান বসানো হলে মাওয়া প্রান্তের সাথে সংযোগ ঘটবে জাজিরা প্রান্তের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here