Home কবিতা

কবিতা

“বর্ষা-কাব্য

বর্ষা কাব্য বর্ষা এলো ঝুমঝুমিয়ে আষাঢ় শ্রাবণ জুড়ে বর্ষা এলো রুমঝুমঝুম বৃষ্টি গানের সুরে। বর্ষা এলো আমার দেশে কদম ফুলে ফুলে বর্ষা এলো নেচে নেচে স্রোতে দুলে দুলে৷ বর্ষা এলো,গ্রীষ্ম গেলো চৈত্র খরা শেষে ভরা নদীর উদাস মাঝি ভাটির টানে হাসে। বর্ষা এলো, সাজিয়ে দিলো প্রাণের প্রিয় দেশ তাই তো আমার বর্ষা প্রিয় ভালো লাগে বেশ!

” বাস্তবতা” সাবিকুন নাহার শিফা 

" বাস্তবতা" সাবিকুন নাহার শিফা বহুদিন হলো , লেখা হয়নি কবিতা লেখা হয়নি গান লেখা হয়নি পঙ্ক্তিমালা । খালি পরে আছে ক্যানভাস, পরেনি রঙের ফোটা। আকাশের মাঝে নেই সাদা মেঘের ঘনঘটা। গাছগুলোতে আর পাতা নেই চলে এসেছে শীতের রুক্ষতা, রয়েছে কেবল, ক্যান্সারের মতো জরিয়ে থাকা বিষন্নতা। পরে আছে মাটির প্রদীপটা তেল দেয়া হয়নি বহুবছর, শেষ হয়ে গেছে আগুনের সব শিখা ঠাঁই পেয়েছে  স্টোর রুমের কোণে। প্রকৃতি আজ হারিয়ে গেছে বহুতলের ভীড়ে, জানা নেই, কত সুখ আছে গ্রামীণ সে...

সূত্র হীন জীবন : তুলোশী চক্রবর্তী

সূত্র হীন জীবন তুলোশী চক্রবর্তী ভারত,পশ্চিমবঙ্গ,কোচবিহার _____________ বিকট প্যাঁচানো গণিতের সমস্যা তারো সঠিক সমাধান হয় সূত্রে বাঁধা জীবন তাদের তাই সমাধান ভয়হীন সুখময়, আমার সমস্যার দরকার  শুধু কিছু উত্তর যেমন  হ্যা অথবা না, বেঁচে থাকতে হয়তো এ উত্তর আমি পাবোনা, সূত্রে তো পরেনি বাঁধা আমার জীবন তাইতো সমস্যা রয়ে যাবে আমরন, সূত্রহীন আমার এ জড়াজীর্ণ জীবন হবেনা মৃত্যুতেও সমস্যার সমাপন।

(উনিশে মে নিয়ে লেখা)  মাতৃভাষা : তুলোশী চক্রবর্তী

(উনিশে মে নিয়ে লেখা)  মাতৃভাষা তুলোশী চক্রবর্তী ভারত পশ্চিমবঙ্গ কোচবিহার ____________ মাতৃভাষা, সে তো মাতৃদুগ্ধ সমান মাতৃদুগ্ধ বিনে বাঁচে কি শিশুর প্রাণ? নিয়ে এই অমৃতসম মাতৃভাষার স্বীকৃতি প্রদান কত শত বীর দিল প্রাণ বলিদান। তিন কুড়ি বছর আগে বরাক উপত্যকা মাঝে বেধেছিল যুদ্ধ মাতৃভাষার দাবিতে প্রণের ভাষা বাংলাকেই সরকারি ভাষা রুপে পেতে। সেই একষোট্টি এর আন্দোলন হয়ে উঠেছিল যখন ভয়ঙ্কর অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে ছেড়েছিল বাড়িঘর, বহুজনেই লড়েছিল প্রাণেরমায়া ত্যাগ করে, মাতৃভাষা বাংলার বিজয় কেতন তাই...

অন্তিম আশা: ফারিহা তাসনিম বৃষ্টি

অন্তিম আশা ফারিহা তাসনিম বৃষ্টি সকলেই হয়ে গেল গৃহবন্দী। একটাই কারণ অদৃশ্য এক ভয়ানক করোনা; শুরু হলো মহামারি, হারাতে হচ্ছে বন্ধু স্বজন প্রিয়জন আপনজন নাম না জানা হাজারো ফুটফুটে ও নমনীয় ফুলের মত প্রাণ। যে ফুলগুলো অবিরাম ঘ্রাণ ছড়াতো মানবতার জন্য বাড়িয়ে দিতো দুটি হাত। আজ তারাও এর বাইরে থাকছে না, সকলে এর অন্তর্ভুক্ত। সকলের চোখ মুখ নাক আজ নিথর বেদনাক্রান্ত। কতশত ক্ষমতা অস্ত্র বুলেট বোমা কিছুই কাজে আসছে না,...

 তেলবাজ চাটুকার : শ্যামল বণিক অঞ্জন

তেলবাজ চাটুকার -শ্যামল বণিক অঞ্জন তেলবাজ চাটুকারে ভরে গেছে দেশটা যেথা যাই টের পাই এসবের রেশটা! যার হাতে যতো তেল তাঁরই জয়জয়কার, তেল আর মধুতে মিলেমিশে একাকার! ঝোপ বুঝে কোপ দেয় রসবোধ জাগিয়ে, অনৈতিক সুবিধা নেয় ওরা বাগিয়ে! করতে পকেট ভারী খুঁজে ফিরে কায়দা, যথা স্থাণে মেজে তেল লুটে নেয় ফায়দা। এ সমাজ সংসার রাজনীতি দুষণে ভুমিকাটা রাখছে তেলবাজি তোষণে!

এসো হাত ধরো : আবুল খায়ের

এসো হাত ধরো ----//আবুল খায়ের এসো হাত ধরো যাবো ওই আকাশ নীলিমায় যেখানে মেঘেরা খেলা করে নিজ আঙ্গিনায়, চল না যাই হারিয়ে হাতে হাত রেখে দিগন্তের ওই সীমানায়... যেখানে দিনের শেষে পাখিরা ফিরে নীড়ে আপন ঠিকানায়।

বৃদ্ধ : আহসান হাবীব

বৃদ্ধ আহসান হাবীব সিংড়া,নাটোর বয়স আমার অনেক হলো কদিন রাখবি বাঁধী? কোমর ব্যথায় মধ্যরাতে একলা বসে কাঁদি হাত পা মোর যেমন তেমন কোমর ধরছে বাঁক আজরাইল এসে বারে বারে দরজায় দিচ্ছে হাঁক বয়স তো আর কম হলো না ষাটের কাছে এসে রোগ-বালাইয়ে চারদিক থেকে ধরলো মোরে কোষে যেতে হবে পরোপারে পাবো না তো রক্ষে নিশ্বাস নিতে পারছিনে কো যন্ত্রনা হচ্ছে বক্ষে আমার জন্য তোরা সবে দোয়া করিস ভাই তোরা ছাড়া আমার যে আর আপন কেহ নাই পরোপারে যাবার আগে এইতো করি আশা মরার আগে...

আমার জন্মদিনে : মণিকা আফরোজ।

আমার জন্মদিনে --- মণিকা আফরোজ। আজ হতে বাইশটি বছর আগে, বারো-ই মে এর সাত-ই রমজানে। এসেছিনু এই ধরণী মাঝে, দেখেছিনু এসেই ক্ষুধার্ত মাতাকে। সেইসে মরন যন্ত্রনা সয়েছিলো মাতা, রমজানের পবিত্র রোজা নিয়ে মুখে। জন্মিয়া দেখিনু সেদিন বাবা নেই পাশে, পরের ঘরের কাজ করিছে আহার জুটাইবার আসে। ভাসিয়াছিলো দিদিমা মোর সুখের সাগরে, বলিয়া বেড়াইতেছিলো সে খবর ভগ্ন দেহ নিয়ে। শুনিয়া সেই খবর পিতা দৌরাইয়া আসে ছুটে, দেখে এই মুখ প্রার্থনা মাগে যেনো দুঃখ...

নির্ভীক আদর্শ বান সাংবাদিক

সত্যের সন্ধানে রিপোর্টার রাসেল চলছে ছুটে চারিদিক, সত্য জনতে বীরের বেশে যেন সে নির্ভীক। সত্য প্রকাশে সে কখনো করেনি মাথা নত, তার ভয়ে পিছে শত্রুতা করে অপরাধী যত। সততা সৎ আদর্শ আছে রিপোর্টার রাসেল ভায়ের সম্বল, ভেবোনা অপরাধী সন্ত্রাসী মাদক কারবারি সে কখনো দুর্বল। সে লিখে যাবে সত্য কথা লিখবে সত্য ছন্দ, যদিও কারো কাছে লাগে সেটা মন্দ। যতি কখনো অপরাধীর সাথে লাগে তার দন্দ, তবুও রাসেল ভাই লেখা...