Home জাতীয় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদের : ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদের : ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন

বঙ্গবন্ধু কালজয়ী আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নই আমাদের অঙ্গীকার” যোগ্য-দক্ষ নেতৃত্বে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে, গণমুক্তির সংগ্রাম অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদ – ন্যাশনাল কমান্ড কাউন্সিল । তারই ধারাবাহিকতায়, সংগঠনটির – ২য় জাতীয় কংগ্রেস, অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে, সারাদেশের সাংগঠনিক ইউনিট সমূহের ইলেক্টর প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে, ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হয়। নবগঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের তালিকা সংগঠনটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে । ওয়েবসাইট লিংক।

সংগঠনের ৭১  সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য বর্গ ,অবশিষ্ট সম্পাদক মন্ডলী ,কার্যনির্বাহী সদস্য, জাতীয় পরিষদের সদস্যবর্গের নাম ও পদবী পরবর্তীতে সংগঠনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদের প্রাথমিক সদস্য নিবন্ধন চলছে (আপনি হতে পারেন একজন গর্বিত সদস্য )  এই লিংকে ক্লিক করুন

মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নিলেন: বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহেল আহমেদ

ভূমিকা : বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদ

হাজার বছরের বাঙালি জাতির রক্ত¯œাত শ্রেষ্ঠ অর্জন ১৯৫২ সালের ভাষাআন্দোলন ও ১৯৭১ সালের স্বাধীন-সার্বভৌমত্ব জাতিরাষ্ট্র লাল-সবুজের বাংলাদেশ। ভাষাআন্দোলন ও
স্বাধীনতাযুদ্ধ আমাদের সবকিছুর চেতনার উৎস ও আলোকবর্তিকা। শোষণ-বৈষম্য-
নির্যাতনের আস্ফালন, জাতীয় সংকট অথবা জাতীয় অবচেতনে আমরা যখন চেতনাশূন্য
হয়ে পড়ি তখন ভাষাআন্দোলন ও স্বাধীনতা আমাদের চেতনা দেয় বা সামষ্টিক চেতনায়
ফিরিয়ে দেয়। আমরা আলোকিত হই, রক্ত¯œাত চেতনাঋদ্ধ পথে চলা শুরু করি।

সারাবিশ্ব বারবার অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে রয়- শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারণ করেÑবাংলাদেশ।
ভাষাআন্দোলন সৃষ্ট ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের পথ ধরে ১৯৭১ সালে সম্মুখ সমরে
জনযুদ্ধের মাধ্যমে, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, ত্রিশলক্ষ প্রাণের আত্মত্যাগে, দুইলক্ষ মা-
বোনের সম্ভ্রমহানির মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি ৫৬ হাজার বর্গকিলোমিটার স্বাধীন-
সার্বভৌমত্ব লাল-সবুজের প্রিয় মাতৃভূমিÑবাংলাদেশ। বাংলাদেশের এই স্বাধীন
অস্তিত্ব গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমান এবং সম্মুখ সমরের বীরযোদ্ধা বা মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বিশেষ
অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন জাতীয় চারনেতা বিশেষ ভূমিকা ছিল মুক্তিযুদ্ধে
যাঁরা বিভিন্নভাবে সাহায্য-সহযোগিতাকারীদের।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধ
স্বাধীনতা, মুক্তিযোদ্ধাদের বিনিময়ে রচিত হয় ১৯৭২ সালের সংবিধান। যাতে
মূলনীতি হিসেবে গৃহীত হয় বাঙালির চিরন্তন সামষ্টিক চেতনাÑজাতীয়তাবাদ-
গণতন্ত্র-সমাজতন্ত্র- ধর্মনিরপেক্ষতা। এই চার মূলনীতি ও যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র
পুনর্গঠনে ও পরিচালনায় এবং বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রত্যয়ে এদেশের
মাটি ও মানুষের সামষ্টিক জনগোষ্ঠীর জণকল্যাণমূলক উদ্যোগ ও পরিকল্পনাই বঙ্গবন্ধুর
কালজয়ী আদর্শ হিসেবে স্বীকৃত।

বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র পরিচালনার নামে বিভিন্ন সময় স্বাধীনতার পরাজিতপক্ষ ১৯৭২
সালের সংবিধান ব্যবচ্ছেদের মাধ্যমে ক্ষত-বিক্ষত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস
বিকৃত করেছে, অমুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা
প্রণয়ন করেছে; প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে
নানাভাবে হয়রানী ও হেয় করেছেÑযা বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কিত অধ্যায় বলে
পরিচিত। এর বিপরীতে দাঁড়িয়ে সংক্ষুদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যবৃন্দ
মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস প্রণয়ন-সংরক্ষণ-সম্প্রসারণ, ১৯৭২ সালের সংবিধান
ধারণ করেÑ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী আদর্শে জাতি গঠনের প্রত্যয়ে
গড়ে তুলেছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদ।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদ-এর মূলনীতি হবে জাতীয়তাবাদ-গণতন্ত্র-
সমাজতন্ত্র-ধর্মনিরপেক্ষতা, বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। একই
সাথে বীরমুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অধিকার ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা
করা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতি গঠনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্বচ্ছ প্রবাহমান রাখার
লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ছড়িয়ে দেয়াও এ
সংগঠনের মূল লক্ষ্য হবে। একই সাথে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সূর্য সন্তানদের জীবনী
প্রণয়ন-প্রচার-সংরক্ষণ ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজরিত স্থান সংরক্ষণকরণ।

এছাড়াও সারাবিশ্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যোদ্ধাদের ডড়ৎষফ ঐবৎড় হিসেবে পরিচিত করানো আর একটি প্রধান মূল লক্ষ্য হবে। একই সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রাপ্তির প্রয়াস চালানো এবং সংগঠনের ঘোষণাপত্রে ঘোষিত ৭ দফা বাস্তবায়ন করাও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সংসদের মূল লক্ষ্য হবে।

 

সবার আগে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ জানতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

x

Get 30% off your first purchase

X