বিএনপি ছেড়ে রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন লে.জে. (অব.) মাহবুব

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এম মোর্শেদ খানের পদত্যাগের একদিন পর বুধবার দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন,তিনি রাজনীতি থেকে অবসরে চলে গেছেন। অন্তত দেড় থেকে দুই মাস আগে নিজের হাতে লেখা পদত্যাগপত্র দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে দিয়েছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান বলেন,আমি বয়স্ক মানুষ। আগামী ডিসেম্বরে ৮০ বছর পূর্ণ হবে। রাজনীতিতে অবদান রাখার মতো আমার কিছু নেই। আমি এখন রাজনীতি করি না। রাজনীতি থেকে সরে এসেছি। আমি রিজাইন করেছি দল থেকে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছি।

 

তিনি বুধবার সাংবাদিকদের বলেন,আমি রাজনীতি নিয়ে বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছি। বাংলাদেশে রাজনীতি নাই। এখানে কোনও আদর্শও নাই। এখানে রাজনীতির নামে একটা এক্সপ্লয়টেশন চলছে। একটা তোষামোদ, ধাপ্পাবাজি ও মিথ্যাচারিতা চলছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,মাহবুবুর রহমান পদত্যাগপত্র দিলেও তা এখনো গৃহীত হয়নি। এনিয়ে স্থায়ী কমিটিতে কোন আলোচনাও হয়নি।

প্রসঙ্গত,সাবেক সেনা প্রধান লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান। সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন তিনি। ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে দিনাজপুর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন। ১১/১১ এর সময় সংস্কারপন্থী নেতা ছিলেন মাহবুব। সেসময় জিয়াউর রহমানের মাজারের সামনের সড়কে লাঞ্ছিত হন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here